পাতা:ইন্দিরা-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


43 ইন্দিয়া श्रांभि । श्रांभांब्र कि शांग्रेौ श्रां८छ् न कि ? স্বভা। অ! ম’লে । মেয়ে মানুষে পুরুষ মানুষে সমান। তুই কমিসেরিয়েটের কাজ করে টাকা নিয়ে আয় না দেখি ? আমি । ওরা পেটে ছেলে ধরিয়া, প্রসব করিয়া, মানুষ করুক, আমি কমিসেরিয়েটে যাইব । যে যা পারে সে তা করে । পুরুষ মানুষের ইন্দ্রিয় দমন কি এতই শক্ত ? সুভ । আচ্ছ, আগে তোর ঘর হোক, তার পর তুই ঘরে আগুন দিস। ও সব ‘কথা রাখ, । কেমন ক’রে স্বামীর মন ভুলাবি, তার একজামিন দে দেখি ? তা নইলে ত তোর গতি নেই। আমি একটু ভাবিত হইয়া বলিলাম, “সে বিদ্যা ত কখনও শিখি নাই ।” সু। তবে আমার কাছে শেখ। আমি এ শাস্ত্রে পণ্ডিত, তা জানিস্ ? আমি । তা ত দেখিতে পাই । • * স্ব। তবে শেখ । তুই যেন পুরুষ মানুষ। আমি কেমন করিয়া তোর মন ভুলাই দেখ । এই বলিয়া পোড়ারমুখী, মাথার একটু ঘোমটা টানিয়া, সযত্নে স্বহস্তে মুবাসিত প্রস্তুত একটি পান আনিয়া আমাকে খাইতে দিল । সে পান সে কেবল রমণ বাবুর জন্য রাখে, আর কাহাকেও দেয় না। এমন কি আপনিও কখন খায় না। রমণ বাবুর আলবোলাট। সেখানে ছিল, তাহাতে কন্ধে বসান ; গুলের ছাই ছিল মাত্র ; তাই আমার সমুখে ধরিরা দিয়া, ফু দিয়া ধরান, স্বভাষিণী নাটিত করিল। তার পর, ফুল দিয়া । সাজান তালবৃস্তখানি হাতে লইরা বাতাস করিতে লাগিল। হাতের বালাতে চুড়িতে বড় । মিঠে মিঠে বাজিতে লাগিল । r - আমি বলিলাম, “ভাই ! এ ত দাসীপনা—দাসীপনায় আমার কতদূর বিদ্যা, তারই পরিচয় দিবার জন্য কি তাকে আজ ধরিয়া রাখিলাম ?” সুভাষিণী বলিল, “আমরা দাসী না ত কি ?” আমি বলিলাম, “যখন র্তার ভালবাসা-জন্মিবে, তখন দাসীপনা চলিবে। তখন পাখা করিব, পা টিপিব, পান সাজিয়া দিব, তামাকু ধরাইয়া দিব। এখনকার ওসব নয়।” তখন স্বভাষিণী হাসিতে হাসিতে আমার কাছে আসিয়া বসিল । আমার হাতখামা আপনার হাতের ভিতর তুলিয়া লইয়া, মিঠে মিঠে গল্প করিতে লাগিল। প্রথম, প্রথম, হাসিতে হাসিতে, পান চিবাইতে চিবাইতে, কাণবালা দোলাইয়া, সে যে সং সাজিয়াছিল,