পাতা:ইন্দুমতী - যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়.pdf/২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১৪
ইন্দুমতী।

শ্ৰবণ বধির করি গরজে অশনি,
প্ৰবল বেগেতে ধারা হয় বরিষণ,
ডুবায় ধারণী খানি সিলিল ভিতরে-
তখন তরাসে প্ৰান উঠে গো কাঁপিয়া,
কাৰ্য্য কারণের এই শ্রেণী পরম্পরা,
তখন বুঝিতে পারি, দৃষ্টির অতীত,
অনেক বিষয় তন্ধে হয় গো সরল।
 “সামান্য জিনিস কভু উপেক্ষার নয়।
সংসারে আমরা সবে করি যত কাজ,-
জ্ঞানেন্দ্ৰিয়, কৰ্ম্মেন্দ্ৰিয়, অন্তর ইন্দ্ৰিয়,
এই সব দিয়া সবে করি যত কাজ-
কি ফল সূচিত করে অলক্ষ্যে তাহারা,
সম্বন্ধ তাহার কিবা জীবনে মরণে,
ইহ-জন্মে, পর-জন্মে, বুঝিব কেমনে?
সুখের দুঃখের নিজে নিয়ন্তা আমারা।
অনন্ত মঙ্গলময় বিধির বিধানে
শাসিত সংসারে, চির মঙ্গলের স্রোত
হইতেছে প্রবাহিত জীবের কল্যাণে।
অমঙ্গলে,রহিয়াছে মঙ্গল জড়িত।
স্কুল-দেহ অন্তে যা’বে সূক্ষ্য-দেহ চলে,
কৰ্ম্ম অন্তে কৰ্ম্ম ফল যা’বে তা’র সাথে।
পরকালী নহে কভু কবির কল্পনা।”