পাতা:ইন্দুমতী - যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়.pdf/৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৩২
ইন্দুমতী।

পৃথিবীর সীমা যেন ত্ৰিদিব হইতে।
মাঝে মাঝে দেখা যায় বৃক্ষ অন্তরালে,
কুটীর কুটীর-চূড় গ্রামের ভিতর,
ছবিতে চিত্রিত যেন। কত নর নারী,
পরম সুখেতে বাস করিছে সেখানে
স্বামী, পুত্র, কণ্যা লয়ে আত্মীয় স্বজনে।
কি পুণ্য করিলে ইন্দু পারিত থাকিতে,
উহাদের মত ওই শান্তি নিকেতনে?
 নীরব নিথর গঙ্গা রয়েছে সম্মুখে,
ভাসিছে তাহাতে কত ছোট বড় তরী,
আরোহী লইয়া কিম্বা বাণিজ্য সম্ভার।
নাবিক বহিত্র বাহি সারি গান গায়
মনের উল্লাসে। হায়! যে দিন ডুবিল,
ইন্দুর তরণী কেন হ'লনা এমন,
নিথর গঙ্গার জল অদৃষ্টে তাহার!
 রবি অস্তে যায়, তার সাথে যায় চলে,
জগতের প্রাণ, রূপ, যা কিছু সুন্দর,
ইন্দুর গিয়াছে পতি সহিত যেমন।
রবির পশ্চাতে আসে ধীরে ধীরে ধীরে
নক্ষত্র-কিরীট পরি শান্তিময়ী নিশা।
কভু বা ললাটে তাঁর চন্দ্রের তিলক,
বদনে বিমল হাসি, ভূষিত হইয়া