পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তম পরিচ্ছেদ । ૭૧ রাজ কুমার রোদন কবিতেছে বুঝিতে পারিয়া ছায়াময়ী মনে মনে বুঝিল, আবার বুঝি কোন নূতন বিপদ আসিয়া জুটিয়াছে, নহিলে স্বামী রোদন করিবেন কেন ? ছায়াময়ী অধৈৰ্য্য হুইয়t উঠিল। কাতর কণ্ঠে ৰলিল “একি ? তুমি কঁাচে কেন ?” রাজকুমার । যে দিন চাকুরী গিয়াছে সেই দিন থেকেই কান্না আরম্ভ হয়েছে, এত আগ্র নুতন নয় ছায় ! পূর্বে কেমন করে সংসার চালাব এই ভাবনীয় চোক দিয়া জল বেরুতে ; সেটা বৰ্ত্তমানে আবার একটু নুতন ভাবন এসে জুটেছে, সেই জন্ত কঁাচি । একটু মান সন্ত্রম ছিল, আজ তাওগেল । আমার দুঃসময় দেখে ম ও অামায় ত্যাগ করলেন । গ্রামের লোকে বলচে রাজকুমার মাকে খেতে দেয় না, তাই তার মা কুলীনগীয়ে মুখুৰ্য্যেদের বাড়ী রাধতে গেচে ।” ছায়াময়ী । তুমি তো মাকে খেতে দেবে না বলনি, আর তাড়িয়ে ও দাও নি যে, এতে তোমার অপমান হবে। রাজকুমার । এখন আমার দুঃসময়, একথা কে বিশ্বাস করবে ? ছায়ামন্ত্রী । বিশ্বাস কে ওন করে, উপরে ধৰ্ম্ম আছেন ; তিনি তো দেখাচেন । রাজকুমার। আর ধৰ্ম্ম ! স্বীকৃ, সরস্বতী কোথা ? ছায়ামন্ত্রী । শুয়েচে । রাজকুমার । তোমাদের সকলকার খাওয়া হয়েচে ? ছায়াময়ী সে কথার উত্তর না দিয়া বলিল, “এখন তুমি মুথে হাতে জল দেবে এস ” রাজকুমার বলিল, আর একটু কাজ আছে সেরে এসে মুখে §