কিন্তু সে ঝরণার কোন পরিবর্ত্তন নেই—একই গতি, একই পরিসর, কোথায়ও এমন অবসর নেই যেখানে কল্পশেখর তা ডিঙ্গিয়ে যেতে পাৱে, সাহস করে উল্লম্ফনের চেষ্টা কর্তে পারে! এমনি করে পাঁচটী বৎসর কেটে গেল।
সেদিনও তারা চলছিল, হঠাৎ নির্ঝরিণীর হুহু শব্দকে ডুবিয়ে ছাপিয়ে এক বিশাল গর্জ্জন তাদের কানে এসে বাজল। যেন সহস্র প্রভঞ্জন এ সৃষ্টিকে ছিঁড়ে ফেলবার জন্যে সহস্র দিকে একসঙ্গে ছুটেছে—যেন সপ্ত সিন্ধুর লক্ষ উর্ম্মি সহসা ক্ষিপ্ত হয়ে একসঙ্গে পৃথিবীর পায়ে এসে মাথা খুঁড়ছে। কল্পশেখর একটু থেমে তরুণীকে বল্লে—“তরুণি শুন্ছ?”
“শুন্ছি।”
“কিসের শব্দ এ?”
“বুঝি মহাপ্রলয়ের?”
“অগ্রসর হবার সাহস আছে?”
“তুমি যেখানে যাবে সেখানে আমার ভয় নেই।”
“তবে চল।”
দুজনে আবার চল্তে লাগল। তারা যতই অগ্রসর হতে লাগ্ল ততই সে গর্জ্জন প্রবল হতে প্রবলতর হয়ে উঠ্তে লাগ্ল। অবশেষে তারা সেই বিশাল গর্জ্জনের কারণ আবিষ্কার কর্ল। সঙ্গে সঙ্গে তাদের চলাও বন্ধ হল। কিন্তু হায় তাদের যাত্রা শেষ হল না?
তারা যেখানটায় এসে পড়্ল সেখানে তাদের, সাম্নে বিশাল
৫৩