“তুমি কে?”
“আমি গন্ধর্ব্ব।”
“শোনো গন্ধর্ব্ব——আমরা চাই পরস্পরের মিলন। এই পাঁচ বৎসর ধরে’ আমরা এই নির্ঝরিণীর দু’তীর দিয়ে দু’জনে হেঁটে এসেছি—আর এই পাঁচ বৎসর ধরে’ এই নির্ঝরিণী আমাদের মাঝ দিয়ে একটা অনন্ত বাধার মত বয়ে’ গিয়েছে। জানি আজ আমাদের যাত্রার শেষ। কোথায়? ওইখানে—যেখান থেকে জলপ্রপাত পড়্ছে——ঐখানে নির্ঝরিণীর শেষ, ঐখানে বাধার শেষ, ঐখানে আমাদের মিলন হবে।”
“অসম্ভব।”
“কি অসম্ভব গন্ধর্ব্ব?”
“তোমাদের মিলন।”
“কেন অসম্ভব গন্ধর্ব্ব”
“কেন অসম্ভব তা বল্তে পারিনে। তবে বোধ হয় মিলন হলে’ সকল পাওয়ার, সকল চাওয়ার শেষ—তাই বুঝি অসম্ভব। শোনো মানব, এ চেষ্টা ছাড়—তোমরা ফিরে যাও।”
মানব উন্নত—শিরে বজ্রকণ্ঠে বল্ল—“কখনও না।”
মানবী নত—নয়নে মৃদুস্বরে প্রতিধ্বনি কর্লে—“কখনও না।”
কল্পশেখর জিজ্ঞেস কর্ল—“এ পাহাড়ে ওঠ্বার কি কোন উপায় নে,—কোন রাস্তা নেই গন্ধর্ব্ব?”
“তোমরা ফিরে যাও।”
“এ পর্ব্বতে আরোহণ করা কি অসম্ভব গন্ধর্ব্ব?
৫৬