“শোনো—তোমরা ফিরে যাও।”
“একি মানুষের অসাধ্য গন্ধর্ব্ব?”
“অসাধ্য নয়—দুঃসাধ্য।”
“তবে সাধা।”
“আপনার অদৃষ্টকে বশ করতে চাও?”
“চাই।”
“নিতান্তই ফিরবে না?”
“শোনো গন্ধর্ব্ব——ফিরব কোথায়? ফেরা মানে মৃত্যু। আজন্ম যে স্বপ্ন অন্তরে সুপ্ত হয়েছিল—কৈশোরে যে স্বপ্ন অস্পণ্ট আকাঙ্ক্ষার নিরুদ্দেশ সন্ধানে ঘরছাড়া করেছিল— যৌবনে গত পাঁচ বৎসর ধরে’ যে আকাঙ্ক্ষার মাদকতা এ দেহের অণু—পরমাণুতে পর্য্যন্ত প্রবিষ্ট হয়েছে—সেই স্বপ্ন সেই আকাঙ্ক্ষাকে ছাড়তে বল, গন্ধর্ব্ব! মানুষের মন তুমি জান না!”
“বেশ তবে শোন। এ পাহাড়ে ওঠ্বার রাস্তা আছে। কুন্তু সেখানে যাবার জন্যে চাই অসীম ধৈয্য। তোমাদের তা আছে?”
“মানুষের ধৈর্যের সীমা নেই।”
গন্ধর্ব্ব বল্তে লাগ্ল—“এই যে পাহাড় এ প্রাচীরের মতো, যোজন দীর্ঘ—একেবারে প্রাচীরের মতো খাড়া। কিন্তু এই পর্ব্ব—প্রাচীর যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে দুই প্রান্ত শুধু উপর থেকে ঢালু হ’য়ে নেমেছে। সেই চালু জায়গা দিয়ে এর উপরে ওঠ্বার পথ! এখন তোমাদের দু’জনকে নির্ঝরিণীর দু’তীর থেকে পর্ব্বতের দু’প্রান্তে পৌঁছিতে হবে। সেখানে পৌঁছে পাহাড়ে ওঠ্বার রাস্তা
৫৭