পাতা:ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত ও কবিত্ব.djvu/১৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কবিতাসংগ্রহ । |ుఁ অভিধান, অভিধান, রাখিয়াছে মুখ । কিন্তু একি অসম্ভব, নাহি তব মুখ ॥ মুখ হোয়ে মুখ নাই, বিমুখ হোয়েছ । মুক হেয়ে একেবারে, নীরব রোয়েছ । অঙ্গ গজ চারিমুগু, পাঁচমুণ্ড যারা । নাহি বুঝি মাথামুগু, কি বোলেছে তারা । শাস্ত্র সব মুখ বোলে, ডাকৈ কেজি গুণে । মুণ্ডপাত হইতেছে, মুণ্ড নাই শুনে ॥ কহিতে না পার কথt. কি রাখিব নাম । তুমি হে, আমার বাবা, “ হাবা আত্মারাম ” ॥ তোমার বদনে যদি, না স্বরে বচন । কেমনে হইবে তবে, কথোপকথন ? আমি যদি কিছু বলি, বুঝে অভিপ্রায় । ইসেরায় ঘাড়, নেড়ে, সgয় দিও তায় ॥ " তুমিতো আপন ভাবে, হইলে বিমুখ । এই ভিক্ষে দীন স্থতে, হওনা বিমুখ ॥ চরমে পরম পদ, যদি বাই ভুলে । সে সময়ে একবার, চেও মুখ তুলে ॥ তুমি দুই ঈশ্বর গুপ্ত, ব্যাপ্ত ত্রিসংসার । আমি হে ঈশ্বর গুপ্ত, কুমার তোমার ॥ গুপ্ত হোয়ে, গুপ্ত সুতে, ছল কেন কয় ? - গুপ্ত কায় ব্যক্ত করি, গুপ্ত ভাৰ হর ।