পাতা:ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত ও কবিত্ব.djvu/২৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কবিতাসংগ্রহ। বলবুদ্ধি করো নাহি, করিতেছে ত্ৰাহি ত্ৰাহি, কোনোরূপে রক্ষা আর নাই ॥ এতাপ ভূতল ফুড়ে, ব্যাপিল পাতাল জুড়ে, বাসুকীর মাথা পুড়ে যায়। উপরে পুড়িছে স্বৰ্গ, করিছে অমরবর্গ, মরি মরি হার একি দায় । দিনকর খরতর, অমরের মর মর, জর জর হলো ত্রিভুবন । বিশ্বের জীবন বায়ু, সে হরে বিশ্বের আয়ু, জীবনদ না দেয় জীবন ॥ ভুমে শস্য, ফল গাচে, আহারে জীবন বঁাচে, জলেরে জীবন সবে কয় । বল বল শুনি তাই, এ জীবন বিন ভাই, জীরের জীবন কিসে রয় ? যথ। যথা শার্থী যত, শুখাতেছে অবিরত, শাখাপত্র সব হোলো সারা । ঘোর তৃষ্ণা সোয়ে সোয়ে, ক্রমেতে নীরস হোয়ে, সমুচয় চারা গেল মারা ॥ তাপেতে শুখায় মূল, কোথা আর ফল ফুল, ফুলবাসে বহ্নি করে বাসা । সৌরভে গৌরব নাই, আমোদ নাহিক পাই, ভ্রাণ নিলে জোলে যায় নাসা ॥