পাতা:ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত ও কবিত্ব.djvu/৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত। פלס\ জীবন বিবরণ ও মৃত্যুশোক প্রকাশ জগতে অপ্রকাশ ब्रश्लि !” उर्कदौन भशंलग्न, जेवंद्रध्रलग्न श्रृङ्कान्न कि ७क পক্ষ পরেই অর্থাৎ ১২৬৪ সালের ২৪ এ মাঘ প্রাণত্যাগ कrप्रेम ! পাথওপীড়ন উঠি ধাইলে, ১২৫৪ সালের ভাদ্র মাসে ঈশ্বরচন্দ্র “সাধুরঞ্জন * নামে আর একখানি সাপ্তাহিক পঞ্জ প্রকাশ করেন। এখানিতে র্তীছ ছাত্রমগুলির কবিতা ও প্রবন্ধ সকল প্রকাশ হইত। “সাধুরঞ্জন * ঈশ্বরচন্দ্রের মৃত্যুর কয়েক বর্ষ পর্য্যন্ত প্রকাশ হুইয়াছিল। অপবয়স হইতেই ঈশ্বরচন্দ্র কলিকাতা এবং মফস্বলের অনেকগুলি সভায় নিযুক্ত হইয়াছিলেন। তত্ত্ববোধিনী সভা, টাকীর নীতিতরঙ্গিনী সভা, চৰ্জ্জিপাড়ার নীতিসভা প্রভৃতির সভ্যপদে নিযুক্ত থাকিয়া মধ্যে মধ্যে বক্ততা, প্রবন্ধ এবং কবিতা পাঠ করিতেন। র্তাহার সৌভাগ্যক্রমে তিনি আজিকার দিনে বঁাচিয়া নাই ; তাহা হইলে সভার জ্বালায় ব্যতিব্যস্ত হইতেন । রামরঙ্গিণী, শ্বামভরঙ্গিণী, নববাহিনী, ভবদাহিনী প্রভৃতি সভার জ্বালায়, তিনি কলিকাতা ছাড়িতেম-সন্দেহ নাই। কলিকাতা ছাড়িলেও নিষ্কৃতি পাইতেন, এমন নছে । গ্রামে গেলে দেখিতেন, এামে এামরক্ষিণী সভা, ছাটে ছাটভঞ্জিনী,মাঠে মাঠসঞ্চারিণী,ঘাটে ঘাটসাধনী-জলে জলতরঙ্গিণী, স্থলে স্থলশায়িনী-খানায় নিখাতিনী, ডোবায় নিমজ্জিনী,বিলে