বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:উদ্ভিদ-জ্ঞান (প্রথম পর্ব্ব) - গিরিশচন্দ্র বসু (১৯২৩).pdf/১০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
ভূমিকা

গজপিপুল পরবাসী উদ্ভিদের সুন্দর দৃষ্টান্ত। ইহা প্রায় তালগাছ, খেজুরগাছ প্রভৃতি স্থূল কাণ্ডযুক্ত উদ্ভিদের কাণ্ড বাহিয়া উঠে। এই উদ্ভিদ প্রথম অবস্থায় স্থলবাসী থাকে, কিন্তু অল্পকাল পরেই স্থল অর্থাৎ মৃত্তিকার সহিত ইহার সম্বন্ধ ঘুচে। তখন ইহা সম্পূর্ণ পরবাসী হয়। ভিন্ন ভিন্ন জাতীয় “ফার্ণ” (Fern) এবং “মস্” (Moss) পরবাসী উদ্ভিদের অন্যতম উদাহরণ।

 ৭। যে সকল উদ্ভিদ অন্য উদ্ভিদ অবলম্বন করিয়া জন্মে ও তাহার রসে পুষ্টিলাভ করে, তাহাদিগকে পরভোজী বলা যায়। ইংরেজীতে ইহাদিগকে “প্যারাসাইট” (Parasite) বলে। আলোক লতা বা হলদী আলগুসি (Cuscuta—কসকিউটা) পরভোজী উদ্ভিদের সুন্দর দৃষ্টান্ত (২য় চিত্র)। এই উদ্ভিদ হলুদ বর্ণ তারের ন্যায় বাবলা, কুল প্রভৃতি গাছের ডাল-পালায় জড়াইয়া ঝুলিয়া থাকে। ইহার পাতা নাই, মূল আশ্রয়-উদ্ভিদের ডালে পোতা থাকে বলিয়া দেখা যায় না (৩য় চিত্র); কেবল


২য় চিত্র আলোক লতা

৩য় চিত্র ডালে পোতা পরভোজী চোষক মূল