বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:উদ্ভিদ-জ্ঞান (প্রথম পর্ব্ব) - গিরিশচন্দ্র বসু (১৯২৩).pdf/১২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।
ভূমিকা


কতকগুলি অরকিডজাতীয় উদ্ভিদ ও কতকগুলি গভীর বনের বড় বড় গাছ সম্পূর্ণরূপে অথবা কতক পরিমাণে মলভোজী দেখা যায়। নিম্নশ্রেণী উদ্ভিদের মধ্যে ফঙ্গস জাতীয় উদ্ভিদ সকল হয় মলভোজী না হয় পরভোজী। ব্যাঙের ছাতা (Agaricus) নামক ফঙ্গস (৪র্থ চিত্র) মিলভোজীর দৃষ্টান্ত। গোবরের গাদা, পচা খড় বা পোয়াল, পচা কাঠ, পচা বাঁশ প্রভৃতি পদার্থের উপরে বর্ষাকালে সচরাচর ব্যাঙের ছাতা দেখিতে পাইবে। বাসী বা পচা দধি, রুটি, ভিজা জুতা, ঘুঁটে প্রভৃতি
৪র্থ চিত্র

৫ম চিত্র

দ্রব্যে যে ছাতা ধরে, তাহাও এই ফঙ্গস জাতীয় মলভোজী উদ্ভিদের উদাহরণ (৫ম চিত্র)।

 ৯। কীট পতঙ্গ ধরিয়া যে সকল উদ্ভিদ আহার সংগ্রহ করে, তাহা-দিগকে কীটভোজী বলা যাইতে পারে। ইংরেজীতে ইহাদিগকে “ইনসেক টিভোরস” (Insectivorous বলে। আর যে সকল উদ্ভিদ অন্য উদ্ভিদের সহিত মিলিয়া পরস্পরের সাহায্যে একত্রে বাস করে, তাহাদিগকে ইংরেজীতে “সিম্বায়োটিক” (Symbiotic) বলে; বাঙ্গলায়