৫। কিন্তু সকল বীজ এরূপ নহে। কোন কোন বীজে খোসার মধ্যে শিশু-উদ্ভিদ ব্যতীত আর এক প্রকার পদার্থ থাকে, তাহার ইংরেজী নাম “এণ্ডোস্পার্ম্ম” (Endosperm) অথবা “এল্বুমেন” (Albumen)। ইহাকে আমরা বাঙ্গলাতে বীজ-ধাতু বা শুধু ধাতু বলিতে পারি। উদাহরণস্বরূপ ভেরেণ্ডা বা রেঢ়ীর বীজ লম্বালম্বিভাবে কাটিয়া পরীক্ষা কর। দেখিবে, কাল কঠিন খোসার মধ্যে শাদা তৈলাক্ত ধাতু রহিয়াছে এবং ঐ ধাতুর মধ্যস্থলে সরল রেখাস্বরূপ এক শিশু-উদ্ভিদ অবস্থিত।
৬। উপরিকথিত কারণে ছোলার ন্যায় বীজকে ধাতুহীন এবং রেঢ়ীর ন্যায় বীজকে ধাতুময় বলা যায়। অতএব বীজ সকল দুই শ্রেণীতে বিভক্ত;—এক শ্রেণী ধাতুময় ও অন্য শ্রেণী ধাতুহীন। নেবু, আম, কাঁটাল, খেজূর, নারিকেল প্রভৃতি বীজ পরীক্ষা করিয়া স্থির কর—উহারা, ধাতুময় না ধাতুহীন।
৭। এখন একটি ধানের পরীক্ষা কর। ইহা এক কটা-বর্ণের আবরণে ঢাকা, অল্প আয়াসেই এই আবরণকে দুই ভাগে ভাঙ্গা যায়। এই আবরণের এক অগ্রভাগে
![]()
৮ম চিত্র
নীচর ডানপাশে ক্ষুদ্র উদ্ভিদ-শিশু, বাকী সমস্ত অংশ ধাতু দুইটি ক্ষুদ্র শাদা শল্ক সংযুক্ত রহিয়াছে, দেখিতে পাইবে। এখন ঐ বীজকে লম্বালম্বি ভাবে চিরিলে দেখিবে, উক্ত দুইটি শল্কের নিকটে ঐ আবরণের মধ্যে কটাবর্ণের ক্ষুদ্র শিশু উদ্ভিদ হেলান ভাবে এক কোণে শায়িত রহিয়াছে ও বাকী সমস্ত স্থান শাদা ধাতুপদার্থে পরিপূর্ণ (৮ম চিত্র)। ঐ ধাতু শিশু-উদ্ভিদ হইতে এক পাতলা আচ্ছাদন দ্বারা পৃথগ্ভূত। ঐ আচ্ছাদনকে ইংরেজীতে “স্কুটেলাম” (Scutellum) বলে। আমরা উহার ঢাল নাম দিলাম। ঐ ঢাল