\J উপদেশ ধৰ্ম্মশাস্ত্রের একটা প্রধান অঙ্গ বলিয়া জানিবে । বিশ্বস্রষ্ট অনন্তদেবতা এই ধৰ্ম্মরাজ্য আশ্চৰ্য্যরূপে গঠন করিলেন, কত ঘটনা ঘটিল যাহা সম্ভব মনে করা হয় নাই, কত পরিবর্তন হইল যাহা প্রত্যাশার বিপরীত, কত সামান্ত লোকের অসামান্ত কীৰ্ত্তি, কত অসামান্ত ব্যাপার বৃথা হইয়া গেল । কত নূতন বিধান, কত নূতন প্রণালী, কত আঘাত প্রতিঘাত, বিনাশ এবং পুনর্জীবন ! আজ যাহা হইল না, কাল তাহ নিশ্চয়ই হইবে । কাল যাহা ছিল আজ তাহা কোথায় রহিল ? কেবল সৰ্ব্বশক্তিমানের অখণ্ড অভিপ্রায় চিরকাল থাকে আর কিছুই থাকে না । এক শতাব্দীর অসমাপ্ত ঘটনা পর শতাব্দীতে আবার অভিনীত হইতেছে ; একজনের কি এক বংশের অসমাপ্ত কীৰ্ত্তি আর এক বংশ সফল করিতেছে । যাহা থাকুক, যাহা চলিয়া যাউক, নিশ্চয় একথা বিশ্বাসযোগ্য যে সাধুচেষ্টা, সত্যপ্রচার, আত্মত্যাগ ও ব্রহ্মকৃপা কখনও নিরর্থক হয় না । যোগী ঋষিগণের ধ্যান ধারণা, ঈশার প্রেম ও আত্মত্যাগ, মোহম্মদের বিশ্বাস ও উদ্যম, বৈষ্ণবদিগের ভক্তি ও জীবে দয়া, এসমস্ত কি চলিয়া গিয়াছে ? না, পরিবর্তিত হইয়াছে বটে কিন্তু চলিয়া যায় নাই। তাহদের অদৃশ্য ও পরিবৰ্ত্তিত কলেবরের মধ্যে বাহ্যিক সামঞ্জস্য দেখা
পাতা:উপদেশ (প্রতাপচন্দ্র মজুমদার).djvu/৩২৩
অবয়ব