উপাসনা しア○ আমরা কখন বিষন্ন, কখন প্রসন্ন, আমরা স্থখী কি দুঃখী জানিনা ; কেবল এই জানি যে সমস্ত বিষাদ তোমাতে মিটিয়া যায়, সকল দারিদ্র্য দূর হয় । এই জীবনের অপমানের মধ্যে তুমি গৌরবের মুকুট ; এই বনবাসের মধ্যে তুমি আনন্দের পুষ্প কানন । আনন্দের আদ্র কণ্ঠ তোমার মধুর মহিমা গান করে । আনন্দে উচ্ছসিত অন্তর তোমার সুন্দর মুখচ্ছবি দর্শন করে । জয় জয় সচ্চিদানন্দ হরে । তোমার তুল্য কে আছে ? এই সপ্ত স্বরূপে কি তোমার অখণ্ড সত্বা বর্ণিত হইল ? এই কয়েকটি স্তবে কি তোমার প্রসংশা শেষ হইল ? এই সমস্ত বিশ্বে যত প্রকার রূপ, রস, বর্ণ আছে সমুদয় তোমার আত্মপ্রকাশ, যত ধৰ্ম্মে যত প্রকার দেব দেবীর কল্পনা আছে সমুদয় তোমারি ছায়া, যত প্রকার যোগ, তপস্যা, সাধন আছে, সমুদয় তোমারই অন্বেষণ, যত জাতীয় ভক্ত উপাসক আছেন সকলে তোমারই সন্তান, তাবৎ ধৰ্ম্মবিধান তোমার আদিষ্ট ও প্রচারিত, সমুদয় ধৰ্ম্মমন্দিরে তোমারই অধিষ্ঠান । তোমার দক্ষিণ বাহুতে সমুদয় পুরুষত্ব ও শক্তি, তোমাকে দেখিলে আর কোন দেবতা ও মধ্যবৰ্ত্তীর প্রয়োজন হয় না । অতীত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান সকলে মিলিয়া বলিতেছে জয়
পাতা:উপদেশ (প্রতাপচন্দ্র মজুমদার).djvu/৩৪৪
অবয়ব