পাতা:উৎকর্ষ-বিধান - গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন.pdf/৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

উৎকর্ষবিধান । “ ද උ হেতু, যাহাতে অধিক রস থাকে সে ভারী, এবং যাহাতে অল্প রস সে লঘু হয়। আর, অপঃিqতটীয় অভ্যন্তরে জল পরিপূর্ণ অাছে বলি : লাড়িলে শবদ হয়ন, কিন্তু পরিণতটর অভ্যন্তরেব জল অনেকু শুদ্ধ হইয়াছে, অতি তাপ আছে, এজন্য বুড়িলে তাহা হইতে শব্দ বাহির হইতে থাকে। দীনবন্ধু তৎক্ষণাৎ তাহ পরীক্ষা করিয়া পিতৃব্যের কথায় সাতিশয় আস্থা প্রকাশ করিতে লাগিলেন । পিতৃব্য পুনৰ্ব্বার বলিলেন বৎস! তুমি যে বলিয়াছ ইয়ে জল অতিশয় মধুর, চিনি মিশ্রিত বুেধ হয় ; তাহার কারণ আমি তোমাকে কিছুই বলিতে পারিলাম না । জগদীশ্বরের স্বাস্টতে চরকাল য়াহা যেৰূপ হইয়া আসিতেছে, ত: ; সেই ৰূপই হইয়া থাকে। নারিকেলের জল যেমন মধুর হয়, সেইরূপ তিন্তিড়ী ফল সাতিশয় অম্ল-হয়, এবং লঙ্কা ও মরীচ প্রভূতি কটু कुंश : এইরূপ তিক্ত কষায় ও লবণাক্ত ফলও উৎপন্ন হইয়া থাকে। ইহার হেতু নিশ্চয় হইবার কোন উপায় নাই ।