পাতা:ঊর্ম্মিমুখর.djvu/১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ক্ষেতে ফুল ফুটেচে, বৈশাখের গায়কপার্থী পাপিয়া আর বেী-কথা-কও চারিদিকে ডাক্‌চে, বেলেডাঙার হাজারী ঘোষ গোরুর পলি নিয়ে নতিডাঙার খড়ের মাঠ থেকে বাড়ী ফিরচে, মেয়ের মরগাঙের ঘাট থেকে কলসী করে জল নিয়ে যাচ্চে,—কি সুন্দর শান্ত গ্রাম্য দৃশ্য, একবার মনে হ’ল পাটুশিমূলের সেই কালীবাড়ী ও দেবত্তর বাশঝাড়ের কথা। আজ দুপুর বেলা সেখানে ছিলাম, কালীবাড়ীর পেছনের এক গৃহস্থের বাড়ীরবে গ্রন্সিপেশিণীকে ঢেকে বলছিল— ও সেজ বে, একটু তরকারী দেবো, খুকীকে দিয়ে বাট পাঠিয়ে স্থাও তো ? সন্ধ্যার আগে কতদূর এসে গিয়েচি ৷ সন্ধ্যাও হ’ল, বাড়ী এসে পা দিলাম, আমার পথ চলাও ফুরুল । আজ শরতের অপূৰ্ব্ব দুপুরে পাগল করেচে আমায়। অনেক দিন লিখিনি—শানা গোলমালে, অবসাদে মনটা ভাল ছিল না—আজ রবিবার দিনট। দুপুরে একটু ঘুমিয়ে উঠেচি–কি পরিপূর্ণ ঝলমলে শরতের দুপুর। এর সঙ্গে জীবনের কি যে একটা বড় যোগ আছে-ভাদ্রমাসের এই রোদভর দুপুর কেন যে আমায় এমন পাগল করে তোলে। বনে বনে মটরলতার কথা মনে পড়ে, ইছামতীর ঘোলা জল, পার্থীর দ্রাক—মনটা যেন BBB BB BBB BBS BB BB BBB BB BB BSSSBBBB BBBB সবট কারণ আমারই কি জানা আছে ? কি করচে পুকু এই শরৎ দুপুরে, বকুলতলীয় ছুয়িয়ি ছায়ায়, একথাও মনে এলেচে । ওর কথা ভেবে কষ্ট হয় যে, ওর লেখাপড়া হ'ল মা ! - - কাল দিনটা বড় সুন্দর কেটেচে, তাই আজ মনে হুচ্চে আজ সকালটাও বড় চমৎকার। অনেকদিনের কলকাতায় একঘেয়ে জীবনযাত্রার পরে কাল বাড়ী গিয়েলিম। প্রথমেই তো খয়রামারি মাঠে দুপুরের রোদে বেড়াতে গিয়ে সবুজ গাছপালা লতাপাতার গন্ধে নতুন জীবন অনুভব করলুম। হাওয়াতেও একটা তাজা গন্ধ আছে যা কিন্তু শহরে নেই। কোপে খোলে থৈলো মাখম সিমের নীলফুল ফুটেছে, নটরলতার সবুজ ফল ও সোদালি গাছের কাচা মুটি বন-জঙ্গলের শোভা কত বাড়িয়েচে-তাদের ওপাছে