পাতা:ঊর্ম্মিমুখর.djvu/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সার অলিভার লজের পত্রাবলীর মধ্যে সেদিন পড়লুম এই বিশাল বিশ্বের wife, off offito (Structure and extent of the Universe) তাকে চিরকাল মুগ্ধ করে এসেচে—তাই এক জায়গায় তিনি বলেচেন co-"Universe is the body of God—this is one of His modes of manifestations.” “to asso food oft-, -io, গাছপালা, কীটপতঙ্গ, মানুষ, জীবজন্তু—সব মিলেই তিনি। তিনি এই ভাবে পদার্থের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করচেন। তাই উপনিষদ বলেচে—“একমেবাদ্বিতীয়ম্।” একই আছে, দ্বিতীয় আর কিছু নেই। ঈশোপনিষদের—“ঈশাবাস্তমিদং সৰ্ব্বং যৎকিঞ্চি জগত্যাং জগৎ ” আজ সন্ধ্যায় দমদমার বাগান বাড়ী থেকে ফিরে এসে বারান্দায় দাড়িয়ে নক্ষত্র জগতের পানে চেয়ে চেয়ে ঐ সব কথাই মনে হচ্ছিল। সেদিনকণর সেই গানটা—"The home I was born.’ আমার কানে এখনও যেন বাজছে— তা থেকেই কথাটা মনে এল। এ রকম যে কতবার হয়েচে ! একটা অনুভূতি পেলে মন শীঘ্ৰ চলে যায় আর এক শ্রেণীর অনুভূতিতে। শুক্রবারে বিকেলে বনগায়ে গেলাম। সেখানে নেমে বাসায় গিয়েই যখন খয়রামারির মাঠে বেড়াতে গেলুম তখন চাদ উঠেছে—মাটির সোদা সোদ সুগন্ধ ভুর ভূর করচে বাগানে। কেলে কোড়ার ফুল এখনও আছে বটে, সুগন্ধ নেই। দু'দিন বনগায়ে থেকে আজ বিকেলের ট্রেণে এলুম কলকাতায় - জাপানী কবি নো গুচিকে P. F. N. এর পক্ষ থেকে অভ্যর্থনা করা ..ছ। প্রথমেই হোটেলের হলে ঢুকে দেখি তখনও সবাই আসেনি, কেবল মণীন্দ্র বসু ও দু’পাচজন এখানে ওখানে আছে, কিরণশঙ্কর রায়ের সঙ্গে গালুড়ি ও ঘাটশিলা সম্বন্ধে কথাবার্তা বলুচি, এমন সময়ে পবিত্র এসে বল্লে, তোমাকে ডাকচি, নলিনী পণ্ডিত তোমার সঙ্গে দেখা করতে চায় । তাকে কে একজন তোমার সম্পর্কে পত্র লিখেচে সেজন্তে । * বাইরে দাড়িয়ে কথা বলুচি, মনীন্দ্র এসে টাকা নিয়ে গেল। তারপর সবাই টেবিলে যে যার বসে গেল। সুরমা বস্তু ও ক্ষীরোদের স্ত্রী, আমি এবং নিৰ্ম্মল বস্তু এক টেবিলে। চা পরিবেশন হওয়ার পরে হওয়ার পরে স্যান্ড