পাতা:ঊর্ম্মিমুখর.djvu/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গেল। আধঘণ্টা পরে লর্ড রবার্টসের প্রতিমূৰ্ত্তির পাদপীঠে গিয়ে দেখি শুধু গিরীশ বোস এসে শুয়ে আছেন, ডাঃ রায়ের চাদর পাতা, কিন্তু তিনি বালিগঞ্জে গিয়েচেন এখনও আসেন নি। তার আসতে একটু দেরিই হোল। সোয়েন হেডিনের তাকলা-মাকান মরুভূমি পার হওয়ার গল্প করলুম—ওঁর খুব মন দিয়ে শুনলেন । সকালে বীরেশ্বরবার এলেন। তারপর বালিগঞ্জে অন্নদা দত্তের বাসায় গুেলাম, দুপুরে নিমন্ত্রণ ছিল। অন্নদাবাবুর শরীর খুব খারাপ—পূৰ্ব্বে দেশের জন্তে খুব করেচেন—এখন কেউ মানে না, পোছে না—অথচ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল স্কুলের জন্তে উনি কি ভয়ানক পরিশ্রমই না করেচেন ! আমি সব জানি। ১৯২২-২৩ সালের কাউন্সিলে উনি চট্টগ্রামের প্রথম M. L. C, ছিলেন । আমি ওঁর কাগজপত্র আমাদের Teague Office থেকে টাইপ করে এনে দিতুম। অন্নদা বাবুর মেয়ে মণির সঙ্গে পনেরো বছর পরে দেখা। ওর ভাল নাম যে মণিকুন্তলা তা আমি আজ এত কাল পরে ওর মুখে শুনলুম। মণি তখন ছোট মেয়ে ছিল,—আমি যখন ১৯২২ সালে অন্নদাবাবুর বাড়ীতে ণিদেীি লুম চট্টগ্রামে। আমার মুখে গল্প শুনতে ও ভাল বাসতো। মণি যে বৃত্তি পেয়ে ম্যাটক ও আই-এ পাশ করেছিল—সে সব খবর আমি আজই প্রথম জানলুম। ওর ছোট একটি মেয়েকে কোলে নিয়ে বসে রইলুম-বেশ চার মাসের ছোট্ট খুকীট। পৃথিবী অদ্ভুত, জীবন অদ্ভূত। কে ভেবেছিল যে আজ এত বছর পরে মণির সঙ্গে বালিগঞ্জে এভাবে আবার দেখাগুনো হবে ! মণির মুখে শুনলুম সুপ্রভা মণিদের নীচে পড়ত এবং দু'জনে এক সঙ্গে দেশে যেতে | ৪৯ ওখান থেকে বার হয়ে আমি আর বেগুন এলুম মণীন্দ্রবস্থর বাড়ী। সেখান থেকে সুরমা বস্তুর বাড়ী রামমোহন রায় রোডে। বেশ সাজানো বাড়ী, সাজানো ড্রয়িং রুম। সুরমা বসু ও তার একটা বোন গান গাইলেন বড় চমৎকার। মেয়েট মিউনিকে ছিলেন, ইউরোপীয়ান মিউজুিকু শিখতেন। দেখে মনে হ’ল এই সব মেয়ে, মণি, স্বরম বহু কেমন চমৎকার ঘর বর পেয়েচে, বেশ আছে। কিন্তু আরও আরও বেশী ভালে ভাবে এ সব জিনিস