পাতা:ঊর্ম্মিমুখর.djvu/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৬২ | উৰ্ম্মিমুখর, বর্ষায়াত গাছপালার ঝোপঝাড়। একটা প্রকাও বটগাছ মাঠের মধ্যে, তার তলায় অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করলুম বৃষ্টি না থামা পর্যন্ত। ট্যাঙর, সুন্দরপুর, কমলাপুর প্রভৃতি গ্রাম পার হয়ে একটা সুন্দর জলাশয়ের তীরে এক প্রকাগু বট গাছের তলায় কলের গান হচ্চে দেখে সেখানে গেলাম। অনেক গ্রাম্য লোক জড় হয়েচে । গ্রামবধুর ওপারের ঘাট থেকে গান শুনচে। জনদুই পথ চলতি লোক কলের গান নিয়ে যেতে যেতে এখানে বট গাছের তলায় শ্রান্তি দূর করবার জন্তে বসে কল বাজাচ্ছে। আমিও গিয়ে দুটো রেকর্ড বাজাতে বললুম। তারা আমায় খাতির করে বসালে, বিড়ি খেতে দিলে, রেকর্ডের বাক্স এগিয়ে দিয়ে বল্লে-বলুন বাবু, কোন গান আপনার পছন্দ। সামনের জালাশয়ট শুনলাম জামদার বাওড়ের আগড়। কি মুন্দর যে তার দৃশু সেই বটতল থেকে ! বাওড় অর্থাৎ মজা নদী। তার ওপারে যতদূর দৃষ্টি যায় বড় বড় নিবিড় বাশবন জলের ওপর ঝুকে পড়েচে–পদ্মফুল আর পদ্মপাতায় জল দেখা যায় না, আরও ওদিকে শেওলার দাম বেধে গিয়েচে । আমি গান শুনতে শুনতে সেইদিকে চেয়ে চেয়ে দেখি । মনে একটা অপূৰ্ব্ব মুক্তির মুখ । বেল সাড়ে দশটা কি এগারটা-কল্কাত হোলে এতক্ষণ ছুটতে হোত স্কুলে । রুটিন বাধা জীবন স্বপ্ন বলে মনে হচ্চে এই সুদূর পল্লীগ্রামের পদ্মফুলে ভরা জলাশয়ের তীরে প্রাচীন বটতলায় বসে। পিলিমার বাড়ী বেল একটার সময় এসে পৌছে দেখি পিসিমা খেতে বসেচেন। আমিও স্নান করে এসে খেয়ে নিয়ে একটু বিশ্রাম কালুম। পিলিমার ঘরটাতে কেমন একটা পুরানো পুরোনে গন্ধ পাওয়া যায় ১৩০০ সালের পরে আর এঘরে নতুন পাজি আসে নি, (১৩০০ সালে পিসেমহাশয় মারা গিয়েছিলেন । ) সেকালের গল্পে, সেকালের আবহাওয়ায় ঘরটা ভক্তি। কড়ির আলুন, সেকালের কথা, কড়ির চুড়ি, কাঠাল কাঠের সিন্দুক, গড়র মূৰ্ত্তি বসানো পেতলের ঘণ্ট,বেতের প্যাট্রা–যে সব জিনিস একালে কোনো বাড়ীতে দেখা যায় না। একখান কাশীদাসী মহাভরত আছে ১২৭৬ সালের ছাপা। অনেকক্ষণ ভয়েভয়ে সেইসব প্রাচীনদিনের বাতাসে নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নিলাম, কত পুরোনো দিনের কথা মনে হয়,-যেদিন মেনকা পিলিমা আমার বালে বাবার ওপরভাগ করে এখানে চলে এসেছিলেন।বাবা এসে একবার ، r-پی-و مدِr-af-عرہ ہی پی۔ایم۔پی۔