পাতা:ঊর্ম্মিমুখর.djvu/৬৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উৰ্ম্মিমুখর ، ولايا কেউটে পাড়ার পথে এক বুড়ী জিজ্ঞেস করলে—বাবু, এত রোদে বেরিয়েচ কেন ? বল্লুম-যাবে অনেকদূর পথ। বুড়ী টিকে বেচতে যাচ্ছে গোবরাপুরের বাজারে। মোল্লাহাটির খেয়া যখন পার হই, তখন স্বৰ্য্য হেলে পড়েচে । মোল্লাহাটির হাট বসেছে, আজ আর বছরের মত হাটে গেলুম। খুব আমের আমদানি। বেলা গিয়েচে দেখে বেশীক্ষণ দাড়াতে পারলুম না। মোল্লাহাটি যেতে খারাপোতা পর্য্যন্ত আসূতে রোদটুকু একেবারেই গেল। কিন্তু পথের পাশের আরামডাঙ্গার খড়ের মাঠের দৃপ্ত দেখে মনে হোল আমাদের এ অঞ্চলটি সুন্দর বেশী। এত নদী বাওড়ের সমাবেশ অন্তর নেই। আইনদি মণ্ডলের বাড়ীর পিছনে সেই বাকে এসে খানিকট বসে বিশ্রাম করি। এই জায়গাটা বড় ভাল লাগে আমার। মরাগাঙ, চক্রবৃত্তে ঘুরে গিয়েচে, বাশবনের শীর্ষ অপরাচুের ছায়ায় আর নীল আকাশের তলায় বেশ দেখাচ্চে। পুল পার হয়ে এসে দেখি গঙ্গাচরণের দোকানে তালা, দোকান নাকি উঠে গিয়েছে স্টেশনের ধারে। কুঠার মাঠের পথ দিয়ে ঠিক সন্ধ্যার সময় বাড়ী পৌছই। খুদুর আসে নি, আসবার কথা ছিল কাল। উষার চিঠি এসেচে, দেখি খাটের ওপরে পড়ে আছে। চার বছর পরে ওর খবর পেলাম | আবার বৃষ্টি নামূলো, খুব ঠাণ্ডা পড়লো-কিন্তু আমার কি জানি সারারাত ভাল ঘুম হোল না। শেষ রাত্রের দিকে একটু ঘুম এল। এসেই উষার চিঠি পেলুম, আর একখানা রমেন ভট্টাচাজ, ওড়ার । তার পত্ৰখানার উত্তর দিতে হবে । উষা এসেচে কলকাতায় বহুদিন পরে, শীগগির চলে যাবে, এর মধ্যে একদিন গিয়ে দেখা করতে হবে। একটা শিমুল গাছের গুড়িতে বসে কত কথা ভাবলুম। বাল্য এই সব বাদলার দিনে কেমন নৌকো বেয়ে এক বেড়াতুম, ওদিকে চালুতে পোতার বাক, চট্ৰক তলার খালের নাম রেখেছিলুম 0ysterbrook তখন সমুদ্রপ্রমণের নানা বই পড়তুম, সৰ্ব্বদা সেই স্বপন দেখতুম। সে সমুদ্র ও আমাদের এই ছোট্ট ইছামতী, তার জল একই বলে জল। সন্ধ্যায় ... o. f - میر اہتمبر