পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


S8% l ফাল্গুনী ঝুলিয়ে রেখে দিয়েচেন। মহিষী এ দু’টো চুল তুলে ফেলতে চেয়েছিলেন, আমি বল্লুম, কি হবে রাণী ? যমের পত্রই যেন সরালুম কিন্তু যমের পত্রলিখককে তো সরানো যায় না । অতএব এ পত্র শিরোধাৰ্য্য করাই গেলো।—এখন তাহ’লে— . যে আজ্ঞা, এখন তাহ’লে রাজকাৰ্য্যের আয়োজন— কিসের রাজকাৰ্য্য ? রাজকাৰ্য্যের সময় নেই–শ্রতিভূষণকে ডেকে আনে । সেনাপতি বিজয়বৰ্ম্মা— না, বিজয়বৰ্ম্মা না, শ্রুতিভূষণ । মহারাজ, এদিকে চীন-সম্রাটের দূত— - র্তার চেয়ে বড়ো সম্রাটের দূত অপেক্ষা ক'বৃচেন। ডাকো শ্রুতিভূষণকে । মহারাজ, প্রত্যন্তসীমার সংবাদ– মন্ত্রী, প্রত্যস্ততম সীমার সংবাদ এসেচে, ডাকো শ্রুতিভূষণকে । মহারাজের শ্বশুর— আমি যার কথা বলচি তিনি আমার শ্বশুর নন। ডাকো শ্রুতিভূষণকে । আমাদের কবিশেখর তার কল্পমঞ্জরী কাব্য নিয়ে— নিয়ে তিনি র্তার কল্পদ্রুমের শাখায় প্রশাখায় আনন্দে সঞ্চরণ করুন, ডাকে শ্রুতিভূষণকে । যে আদেশ, তাকে ডাকৃতে পাঠাচ্চি। বোলো, সঙ্গে যেন তার বৈরাগ্যবারিধি পুথিটা আনেন। প্রতিহারী, বাইরে ঐ কা’র গোল ক'বৃচে, বারণ করে, আমি একটু শাস্তি চাই । নাগপত্তনে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, প্রজার সাক্ষাৎ প্রার্থনা করে। আমার তো সময় নেই মন্ত্রী, আমি শান্তি চাই । তা’র ব’ল্চে তাদের সময় আরো অনেক অল্প—তারা মৃত্যুর দ্বার প্রায় লঙ্ঘন করেচে —তা’রা ক্ষুধাশাস্তি চায় । ।