পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


لاسلام ওহে কোটাল হে, কোটাল হে ! কোটাল। কে গো, তোমরা কে ? আমাদের যা দেখচো তাই, পরিচয় দেবার কিছুই নেই। কোটাল। কি চাই ? চন্দ্রহাস। বুড়োকে খুজতে বেরিয়েচি । কোটাল। কোন বুড়োকে ? সেই চিরকালের বুড়োকে । কোটাল। এ তোমাদের কেমন খেয়াল ? তোমরা খোজো তাকে ? সেই তো তোমাদের খোজ ক’বৃচে ? চন্দ্রহাস। কেন বলো তো ? কোটাল। সে নিজের হিম রক্তটা গরম করে নিতে চায়, তপ্ত যৌবনের পরে তা’র বড়ো লোভ । চন্দ্রহাস । আমরা তা’কে কষে গরম ক’রে দেবো, সে ভাবনা নেই। এখন দেখা পেলে হয়। তুমি তাকে দেখেচো ? কোটাল। আমার রাতের বেলার পাহারা-দেখি ঢের লোক, চেহারা বুঝিনে। কিন্তু বাপু, তাকেই সকলে বলে ছেলে-ধরা, উন্টে তোমরা তা’কে ধরতে চাও—এটা যে পূরো পাগলামি। দেখেচে ? ধরা পড়েচি। পাগলামিই তো ! চিনতে দেরি হয় না । । কোটাল। আমি কোটাল, পথ-চলতি যাদের দেখি সবাই এক ছাচের। তাই অদ্ভুত কিছু দেখলেই চোকে ঠেকে। ঐ শোন! পাড়ার ভদ্রলোকমাত্রই ঐ কথা বলে—আমরা অদ্ভূত । আমরা অদ্ভূত বই কি, কোনো ভুল নেই। কোটাল। কিন্তু তোমরা ছেলেমানষি ক’বৃচে । i ঐরে, আবার ধরা পড়েচি। দাদাও ঠিক ঐ কথাই বলে। অতি প্রাচীন কাল থেকে আমরা ছেলেমানষিই ক’বৃচি । |