পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


እbሙ® ফাঙ্কনী দাদা। আজ পথে যেতে যেতে দেখলুম রাজপুরুষ একজন বীকে নিয়ে চ’লেচে ! শুনলুম, সে কোনো শ্রেষ্ঠ, তা’র টাকার লোভেই রাজা মিথ্যা ছুতে ক’রে তাকে ধ’রেচে। শুনে আমি নিকটেই মুদির দোকানে বসে এই শ্লোকটি রচনা করেচি। দেখ বাপু, আমি বানিয়ে একটি কথাও লিথিনে। আমি যা লিখবো রাস্তায় ঘাটে তা মিলিয়ে নিতে পারবে। ঠাকুর, কি লিখেচো শুনি । - ोंमीं । আত্মরস লক্ষ্য ছিল বলে’ ইক্ষু মরে ভিক্ষুর কবলে । ওরে মূখ, ইহা দেখি শিক্ষ— ফল দিয়ে রক্ষা পায় বৃক্ষ । বুঝেচে ? রস জমায় বলেই ইক্ষু বেটা মরে, যে গাছ ফল দেয় তাকে তো কেউ মারে না ! কোটাল। ওহে মাঝি, থাসা লিখেচে হে ! মাঝি। ভাই কোটাল, কথাটির মধ্যে সার আছে। কোটাল । শুনলে মানুষের চৈতন্ত হয়। আমাদের কায়েতের পো এখানে থাকলে ওটা লিখে নিতুম রে। পাড়ায় খবর পাঠিয়ে দে ! সৰ্ব্বনাশ করলে রে! + চন্দ্ৰহাস ও ভাই মাঝি, তুমি যে ব’ম্নে আমাদের সঙ্গে বেরবে, দাদার চৌপদী জ’মূলে তো আর— মাঝি। আরে রমন মশায়, পাগলামি রেখে দিন। ঠাকুরকে পেয়েছি, দু’টো ভালো কথা শুনে নিই—বয়েস হয়ে এলো, কোন দিন ম’বৃবো। ভাই, সেই জন্যেই তো ব’লচি, আমাদের সঙ্গ পেয়েচো, ছেড়ে না । চন্দ্রহাস। দাদাকে চিরদিনই পাবে কিন্তু আমরা একবার ম'লে বিধাতা দ্বিতীয়বার আর এমন ভুল করবেন না ।