পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঋতু-উৎসব لاbسbس অযাত্রাতে নৌকো ভাসা, রাখিনে ভাই ফলের অাশা, আমাদের আর নাই যে গতি ভেসেই চলা বই। দাদা, চলো তবে, বেরিয়ে পড়ি । কোটাল। না, না ঠাকুর, ওদের সঙ্গে কোথায় ম’রতে যাবে ? মাঝি। তুমি আমাদের শোলোক শোনাও, পাড়ার মানুষ সব এলো বলে ! এ সব কথা শোনা ভালো ! দাদা। না ভাই, এখান থেকে আমি নড় চিনে। তাহ’লে আমরা নড়ি । পাড়ার মানুষ আমাদের সইতে পারে না । পাড়াকে আমরা নাড়া দিই পাড়া আমাদের তাড়া দেয়। ঐ যে চৌপদীর গন্ধ পেয়েছে, মৌমাছির গুঞ্জন শোনা যাচ্চে । পাড়ার লোক । ওরে মাঝির এখানে পাঠ হবে। কে গো ? তোমরাই পাঠ ক’বৃবে নাকি ? আমরা অন্য অনেক অসহ উৎপাত করি কিন্তু পাঠ করিনে । ঐ পুণ্যের জোরেই আমরা রক্ষা পাবো । এরা বলে কিরে ? হেঁয়ালি না কি ? চন্দ্রহাস। আমরা যা নিজে বুঝি তাই বলি , হঠাৎ হেঁয়ালি বলে ভ্রম হয়। আর তোমরা যা খুবই বোঝ দাদা তাই তোমাদের বুঝিয়ে ব’লবে, হঠাৎ গভীর জ্ঞানের কথা বলে’ মনে হবে । ( একজন বালকের প্রবেশ ) আমি পাৰ্বলুম না। কিছুতে তা’কে ধরতে পাৰ্বলুম না। কা’কে ভাই ? ঐ তোমরা যে বুড়োর খোজ ক’রেছিলে, তা’কে ।