পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঋতু-উৎসব ১৯8 । বনের শাখা কথা বলে, কথা জাগে সাগর জলে, এই ভুবনে আমরা কিছুই ব’লবো না! কোথা হ’তে লাগে রে টান, জীবনজলে ডাকে রে বান, আমরা তে এই প্রাণের টালায় ট’লবে না। ওরে হাসিরে, হাসি ! ঐ হাসি শোনা যাচ্চে। 鼎 বঁচা গেলো, এতক্ষণে একটা হাসি শোনা গেলো ! যেন গুমটির ঘোমটা খুলে গেলো। এ যেন বৈশাখের এক পস্লা বৃষ্টি ! কার হাসি ভাই ? শুনেই বুঝতে পাচিনে, আমাদের চন্দ্ৰহাসের হাসি। কি আশ্চৰ্য্য হাসি ওর } 1. - যেন ঝরনার মতো, কালো পাথরটাকে ঠেলে নিয়ে চলে। যেন স্বর্ঘ্যের আলো, কুয়াশার তাড়ক রাক্ষসীকে তলোয়ার দিয়ে টুকরো টুকরো করে কাটে। যাক্ আমাদের চৌপদীর ফাড় কাটুলো! এবার উঠে পড়ে। এবার কাজ ছাড়া কথা নেই—চরাচরমিদং সৰ্ব্বং কীর্তির্যস্ত স জীবতি । ও আবার কী রকম কথা হ’লে? ঈশানকে এখনো চৌপদীর ভূত ছাড়েনি! কীৰ্ত্তি ? নদী কি নিজের ফেনাকে গ্রাহ করে ? কীৰ্ত্তি তো আমাদের ফেনা-ছড়াতে ছড়াতে চলে’ যাবো। ফিরে তাকাবো না ।