পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ᎼᎼ☾ ফাঙ্কনী এসো ভাই চন্দ্রহাস, এসো, তোমার হাসিমুখ যে! চন্দ্ৰহাস । বুড়োর রাস্তার সন্ধান পেয়েছি। কা’র কাছ থেকে ? চন্দ্রহাস। এই বাউলের কাছ থেকে। ওকি ? ও যে অন্ধ । চন্দ্রহাস। সেই জন্তে ওকে রাস্তা খুজতে হয় না, ও ভিতর থেকে দেখতে পায় | কি হে ভাই, ঠিক নিয়ে যেতে পারবে তো ? বাউল। ঠিক নিয়ে যাব। কেমন করে’ ? বাউল। আমি যে পায়ের শব্দ শুনতে পাই। কান তো আমাদের ৫ আছে, কিন্তু— । বাউল। আমি যে সব-দিয়ে শুনি—শুধু কান-দিয়ে না। চন্দ্রহাস। রাস্তায় যাকে জিজ্ঞাসা করি, বুড়োর কথা শুনলেই আংকে ওঠে, কেবল দেখি এরই ভয় নেই । - ও বোধ হয় চোখে দেখতে পায় না বলেই ভয় করে না। বাউল। না গো, আমি কেন ভয় করিনে বলি। একদিন আমার দৃষ্টি ছিলো। যখন অন্ধ হলুম ভয় হলো দৃষ্টি বুঝি হারালুম। কিন্তু চোখওয়ালার দৃষ্টি অন্ত যেতেই অন্ধের দৃষ্টির উদয় হ’লো। স্বৰ্য্য যখন গেলো তখন দেখি অন্ধকারের বুকের মধ্যে আলো। সেই অবধি অন্ধকারকে আমার আর ভয় নেই। তাহলে এখন চলো। ঐ তো সন্ধ্যাতারা উঠেছে। 橡 বাউল। আমি গান গাইতে গাইতে যাই, তোমরা আমার পিছনে পিছনে এসে ! গান না গাইলে আমি রাস্তা পাইনে ! সে কি কথা হে ?