পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२० (t - ফাল্গুনী সন্ধ্যা তা’রে প্রণাম করে সব সোনা তা’র দেয়রে শুধে । ফোটা ফুলের আনন্দ রে ঝরা ফুলেই ফলে ধরে, আপনাকে ভাই ফুরিয়ে-দেওয়া চুকিয়ে দে তুই বেলাবেলি । ওহে বাউল, চন্দ্ৰহাস এখনো এলো না কেন ? বাউল । সে যে গেছে, তা জান না ? গেছে ? কোথায় গেছে ? বাউল। সে বল্পে, আমি তা’কে জয় করে আনবো । কা’কে ? 婦 قي বাউল। যাকে সবাই ভয় করে। সে বল্পে, নইলে আমার কিসের যৌবন ! বাঃ এ তো বেশ কথা! দাদা গেলো পাড়ার লোককে চৌপদী শোনাতে, আর চন্দ্রহাস কোথায় গেলো ঠিকানাই নেই! বাউল। সে বল্পে, যুগে যুগে মানুষ লড়াই ক’রেছে, আজ বসন্তের হাওয়ায় তারি ঢেউ ! তারি ঢেউ ? বাউল । ই । খবর এসেচে মামুষের লড়াই শেষ হয় নি। বসন্তের এই কি খবর ? বাউল। যারা মরে অমর বসন্তের কচি পাতায় তারাই পত্র পাঠিয়েছে। দিগ দিগন্তে তা’র রটাচ্চে—“আমরা পথের বিচার করিনি—আমরা পাথেয়ের হিসাব রাখিনি—আমরা ছুটে এসেচি, আমরা ফুটে বেরিয়েচি। আমরা যদি ভাবতে বস্তুম তাহ’লে বসন্তের দশা কি হতো?”

  • চন্দ্ৰহাস তাই বুঝি ক্ষেপে উঠেচে ?