পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঋতু-উৎসব ২০ সাজবে বাদল সোনার সাজে আকাশ মাঝে কালিমা ওর ঘুচিয়ে ফেলে”। নটরাজ । শরতের প্রথম প্রত্যুষে ঐ যে শুকতারা দেখা দিলো অন্ধকারের প্রান্তে । মহারাজ দয়া করবেন, কথা কবেন না । রাজা | নটরাজ, তুমিও ত কথা কইতে কস্থর করো না । - নটরাজ । আমার কথা যে পালারই অঙ্গ । রাজা । আর আমার হোলো তার বাধু । তোমার যদি হয় জলের ধারা, আমার না হয় হোলো মুড়ি, দুইয়ে মিলেই তো ঝরণা। স্বষ্টিতে বাধা যে প্রকাশেরই অঙ্গ । যে বিধাতা রসিকের স্বষ্টি করেছেন অরসিক তারই স্বষ্টি, সেটা রসেরই প্রয়োজনে । নটরাজ । . এবার বুঝেছি আপনি ছদ্মরসিক, বাধার ছলে রস নিংড়ে বের করেন। আর আমার ভয় রইলো না । গীতাচাৰ্য্য গান ধরে । দেখো শুকতারা আঁখি মেলি চায় প্রভাতের কিনারায় । ডাক দিয়েছে রে শিউলি ফুলেরে আয় আয় আয়। ও যে কার লাগি জালে দীপ, কার ললাটে পরায় টপ,