পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२> শেষ বর্ষণ ও যে কার আগমনী গায়— আয় আয় আয় ॥ জাগো জাগো, সখি, কাহার আশায় আকাশ উঠিল পুলকি । মালতীর বনে বনে ঐ শোনো ক্ষণে ক্ষণে কহিছে শিশির বায় আয় আয় আয় ॥ নটরাজ । ঐ দেখুন শুকতারার ডাক পৃথিবীর বনে পৌচেছে। আকাশে আলোকের যে লিপি সেই লিপিটিকে ভাষান্তরে লিখে দিলে ঐ শেফালি । সে লেখার শেষ নেই, তাই বারে বারেই অশ্রান্ত ঝরা আর ফোটা। দেবতার বাণীকে যে এনেছে মৰ্ত্ত্যে, তার ব্যথা ক'জন বোঝে ? সেই করুণার গান সন্ধ্যার স্বরে তোমরা ধরে । ওলো শেফালি, সবুজ ছায়ার প্রদোষে তুই জালিস দীপালি। তারার বাণী আকাশ থেকে তোমার রূপে দিলো একে শু্যামল পাতায় থরে থরে আখর রূপালি ৷ বুকের খসা গন্ধ আঁচল রইলো পাতা সে কানন বীথির গোপন কোণের বিবশ বাতাসে ।