পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঋতু-উৎসব - २२ সারাটা দিন বাটে বাটে নানা কাজে দিবস কাটে, আমার সাঝে বাজে তোমার করুণ ভূপালি। রাজা । নটরাজ, আমন শুকতারাতে শেফালিতে ভাগ ক’রে ক’রে শরৎকে দেখাবে কেমন করে ? নটরাজ। আর দেরি নেই, কবি ফাদ পেতেছে। যে মাধুরী হাওয়ায় হাওয়ায় আভাসে ভেসে বেড়ায় সেই ছায়া-রূপটিকে ধরেছে কবি আপন গানে। সেই ছায়া-রূপিণীর নূপুর বাজলো, কঙ্কণ চমক দিলে৷ কবির স্বরে, সেই স্বরটিকে তোমাদের কণ্ঠে জাগাও তো । যে-ছায়ারে ধরব ব’লে করেছিলেম পণ আজ সে মেনে নিল আমার গানেরি বন্ধন ॥ আকাশে যার পরশ মিলায় শরৎ মেঘের ক্ষণিক লীলায় আপন সুরে আজ শুনি তার নূপুর গুঞ্জন ॥ অলস দিনের হাওয়ায় গন্ধখানি মেলে যেত গোপন আসা যাওয়ায় । অাজ শরতের ছায়ানটে । মোর রাগিণীর মিলন ঘটে, সেই মিলনের তালে তালে বাজায় সে কঙ্কণ ॥