পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૧( শারদোৎসব । ঠাকুরদাদা । একদিকে অনন্ত ভাণ্ডার থেকে তিনি কেবলি ঢেলে দিচ্ছেন আর একদিকে কঠিন দুঃখে তারি শোধ চলছে। সেই দুঃখের আনন্দ এবং সৌন্দৰ্য্য যে কী সে কথা তোমার কাছে পূর্বেই শুনেছি। প্রভু, কেবল এই দুঃখের জোরেই পাওয়ার সঙ্গে দেওয়ার ওজন বেশ সমান থেকে যাচ্চে, মিলনটি এমন সুন্দর হয়ে উঠেছে। - - - i সন্ন্যাসী ঠাকুর্দা, যেখানে আলস্য, যেখানে কৃপণতা, সেখানেই ঋণ শোধে ঢিল প’ড়ে যাচ্চে, সেইখানেই সমস্ত কুশ্রী, সমস্তই অব্যবস্থ । ঠাকুরদাদা সেইখানেই যে একপক্ষে কম পড়ে যায়, অন্য পক্ষের সঙ্গে মিলন পূরে হ’তে পায় না। সন্ন্যাসী লক্ষ্মী যখন মানবের মর্ত্যলোকে আসেন তখন দুঃখিনী হয়েই আসেন ; তার সেই সাধনার তপস্বিনী-বেশেই ভগবান মুগ্ধ হ’য়ে আছেন ; শত দুঃখেরই দলে তার সোনার পদ্ম সংসারে ফুঠে উঠেছে, খবরটি আজ ঐ উপনন্দের কাছ থেকে পেয়েছি । ( লক্ষেশ্বরের প্রবেশ ) লক্ষেশ্বর তোমরা চুপি চুপি দুটিতে কী পরামর্শ কর্চে ? সন্ন্যাসী আমাদের সেই সোনার পদ্মের পরামর্শ। n লক্ষেশ্বর অঁ্যা ! এরই মধ্যে ঠাকুর্দার কাছে সমস্ত ফাস ক'রে বসে আছো ? বাবা, তুমি এই ব্যবসা-বুদ্ধি নিয়ে সোনার পদ্মর আমদানী ক’বৃবে ? তবেই হয়েছে!