পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


이어 辭 শারদোৎসব । হবো। ঠাকুর্দা আমাকে ফাকি দিয়ে জিতে নেবে সেটি হচ্চে না। আচ্ছা ঠাকুর, তবে আমিও তোমার চেলা হতে রাজি হ’লেম। ঐ যে কাকে বাকে মানুষ আসচে। ঐ দেখচো না দূরে—আকাশে যে ধূলো উড়িয়ে দিয়েছে। সবাই খবর পেয়েছে—স্বামী অপূৰ্ব্বানন্দ এসেছেন। এবার পায়ের ধূলো নিয়ে তোমার পায়ের তেলো হাটু পর্য্যন্ত খইয়ে দেবে। যাই হোক, তুমি যে রকম আলগা মানুষ দেখচি, সেই কথাটা আর কারো কাছে ফাস কোরো না— অংশীদার আর বাড়িয়ে না। কিন্তু ঠাকুর্দা, লাভলোকসানের ঝুকি তোমাকেও নিতে হবে ; অংশীদার হ’লেই হয় না ; সব কথা ভেবে দেখো । ( প্রস্থান )। সন্ন্যাসী . ঠাকুর্দা, আর তো দেরি করলে চ’লবে না। লোকজন জুটুতে আরম্ভ ক’রেছে, পুত্র দাও ধন দাও ক’রে আমাকে একেবারে মাটি ক'রে দেবে। ছেলেগুলিকে এইবেল ডাকে। তারা ধন চায় না পুত্ৰ না, তাদের সঙ্গে খেলা জুড়ে দিলেই পুত্রধনের কাঙালরা আমাকে ত্যাগ রবে। ঠাকুরদাদা ছেলেদের আর ডাকৃতে হবে না। ঐ যে আওয়াজ পাওয়া যাচ্চে ! এলো ব’লে ! ( লক্ষেশ্বরের পুন: প্রবেশ ) লক্ষেশ্বর না বাবা, আমি পারবে না ! বুঝতে পার্চিনে। ও সব আমার কাজ নেই—আমার যা আছে সেই ভালো। কিন্তু তুমি আমাকে কী যেন মন্ত্র করেছে। তোমার কাছ থেকে না পালালে আমার তো রক্ষে নেই! তুমি ঠাকুর্দাকে নিয়েই কারবার করো, আমি চল্লেম । ( দ্রুত প্রস্থান )