পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


boo) - শারদোৎসব চুপ করে হাস্চো কি ! আমি বলুচি আমাকে পারবে না—আমার শক্ত হাড় । লক্ষেশ্বর কোনদিন তোমার চেলাগিরিতে ভিড়বে না ! ( প্রস্থান ) (ফুল লইয়া ছেলেদের প্রবেশ ) সন্ন্যাসী এবার অর্ঘ্য সাজানো যাক। এ যে টগর, এই বুঝি মালতী, শেফালিকাও অনেক এনেছো দেখছি। সমস্তই শুভ্ৰ, শুভ্ৰ, শুভ্ৰ ! বাবা, এইবার সব দাড়াও! একবার পূর্ব আকাশে দাড়িয়ে বেদ মন্ত্র পড়ে নিই। বেদমন্ত্র অক্ষি দুঃখোখিতস্তৈব সুপ্রসম্নে কনীনিকে । আংক্তে চাদগণং নাস্তি ঋভূনাং তন্নিবোধত। কনকাভানি বাসাংসি অহতানি নিবোধত । অন্নমশ্রীত মৃজমীত অহং বো জীবনপ্রদঃ । এত বাচঃ প্রযুজ্যস্তে শরদৃষত্রোপদৃশুতে / এবারে সকলে মিলে তোমারের শারদো সবের আবাহন-গানটি গাইতে । গাইতে বনপথ প্রদক্ষিণ ক’রে এসো। ঠাকুর্দা, তুমি গানটি ধরিয়ে দাও! তোমাদের উৎসবের গানে বনলক্ষ্মীদের জাগিয়ে দিতে হবে। গান মিশ্র রামকেলি—একতাল আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ, আমরা গেথেছি শেফালি মালা । নবীন ধানের মঞ্জর দিয়ে সাজিয়ে এনেছি ডালা ।