পাতা:ঋতু-উৎসব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


-૧ সালী তবে আর কি ! छत्रू স্বার্থক হ’য়েচে, শরীর পবি হয়েচে। এসেচেন, এসেচেন, আমাদের মাঝখানেই এসেচেন। দেখচোন বেতসিনী নদীর ভাবটা । আর ধানের ক্ষেত কি রকম চঞ্চল হ’য়ে উঠেচে ! গাও গাও, ঠাকুর্দা, বরণের গানটা গাও ! ঠাকুরদাদার গান আলেয়া—একতাল। আমার নয়ন-ভুলানো এলে। আমি কী হেরিলাম হৃদয় মেলে । সন্ন্যাসী যাও, বাবা, তোমরা সমস্ত বনে বনে নদীর ধারে ধারে গেয়ে এসোগে । ( ছেলেদের গাহিতে গাহিতে প্রস্থান ) ঠাকুরদাদা প্রভু, আমি যে একেবারে ডুবে গিয়েছি ; ডুবে গিয়ে তোমার এই পায়ের তলাটিতে এসে ঠেকেচি। এখান থেকে আর নড়তে পারবো না । ( লক্ষেশ্বরের প্রবেশ ) ঠাকুরদাদা এ কী হ’লো ! লখা গেরুয়া ধরেচে। যে ! লক্ষেশ্বর সন্ন্যাসী ঠাকুর, এবার আর কথা নেই। আমি তোমারই চেলা । এই নাও আমার গজমোতির কেীটো—এই আমার মণি-মাণিক্যের পেটিকা তোমারি কাছে রইলো। দেখো ঠাকুর, সাবধানে রেখো ! সন্ন্যাসী তোমার এমন মতি কেন হ’লো লক্ষেশ্বর ?