পাতা:এলিজিবেথ.pdf/১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

४९ এলিজিবেথ । করিতে পারিতেন না বলিয়। অনেক আক্ষেপ করিতেন ; কিন্তু রবিবারের দিন উপস্থিত হইলে, দৃঢ়তর ভক্তিপূৰ্ব্বক কেবল পরমেশ্বরের আরাধনাতেই কালক্ষেপ করিতেন। যদি তিনি প্রতিদিন এই রূপ ধৰ্ম্মানুষ্ঠানের সময় পাইতেন, তাহা হইলে তাহার পতির আর কিছুমাত্র শোক সন্তাপ থাকিত না । এলিজিবেথ চারি বৎসর বয়ঃক্রম অবধি এই বিজনবনে আসিয়া বাস করিয়াছিলেন। জ্ঞানের উদয় হইয় অবধি তিনি আর কোন দেশ দেখেন নাই । এই মরুদেশের যে প্রাকৃত শোভা তাহাই মাত্র অবলোকন করিতেন। তাছাতেই তাহার যথেস্ট সন্তোষ জন্মিত। যে জন কখন পাপের মুখাবলোকন করে নাই তাছার পক্ষে, কি লোকালয়, কি নিরালয়, সৰ্ব্বত্রই সমান সুখ উৎপন্ন হয়। হ্রদের ধারে যে পাহাড় আছে গ্রীষ্মকালে বাজ ও গুধু পক্ষি সকল তাহার উপরি কুলায় নিৰ্ম্মাণ করিয়া থাকে, এলিজিবেথ সেই পক্ষিদিগের ডিম্ব পাড়িবার জন্য আমোদ করিয়া পাছাড় বহিয়া উচিতেন। কখন কখন তিনি জাল ও ফঁাদ পাতিয়া বনের গোলা-পায়রা সকল ধরিতেন এবং ধরিয় তাহাদিগকে পুষিবার জন্য আপনার চিড়িয়াখানায় রাখিয়া দিতেন। ইচ্ছা হইলে কখন কখন তিনি সেই হ্রদে ছিপ দিয়া মৎস্য ধরিতেও বসিতেন। - এলিজিবেথ এই রূপ পরমসুখে বাল্য কাল যাপন করিতে করিতে মনে করিতেন যে আমার তুল্য সুখী আর কেহ কুত্ৰপি নাই। তিনি যে দেশে বাস করিতেন, তথাকার তীক্ষু বায়ু সেবন করাতে দিন দিন তাহার দৈহিক ধাতু সকল সমৰ্থ, শরীরে বলাধান এবং মুখের লাবণ্য বৰ্দ্ধমান হইতে লাগিল । জনমানব-বিহীন অতি নিরাশ্রয় স্থানে সেই কুমারীর আসামান্য রূপ লাবণ্য দর্শন করিয়া তৃপ্ত হয় এমন হেই ছিল