পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (প্রথম বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/১১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সীতারামের ধৰ্ম্মপ্ৰাণত । Sov) কি অপূৰ্ব ভক্তিভাবের উদ্রেক হয় এবং তিনি কিরূপ উৎকট আনন্দে পরিপ্লত হইয়া পড়েন। তখন দূরাগত বংশীধ্বনিব্যুৎ সীতারামের কীৰ্ত্তিকাহিনীর দুরন্থতি তাহাকে আত্মবিহ্বল করিয়া তুলে এবং সেই ভক্তিপ্রবণ বিখ্যাত নৃপতির এক বিরাট চিত্র তাহার মনের মধ্যে অঙ্কিত করিয়া দেয় । ধৰ্ম্মোৎসবের অনুষ্ঠান করিলেই ধাৰ্ম্মিক বলিয়া পরিগণিত श्७वीं शीघ्र नi ; সীতারামের ধৰ্ম্মোৎসবের মধ্যে ধৰ্ম্মপ্ৰাণত ছিল। তৎপ্ৰবৰ্ত্তিত অনুষ্ঠানে পুরাণোক্ত যাবতীয় লীলার যথোপযুক্ত অভিনয় হইত। সীতারামের পূর্বপুরুষ শক্তিন্ত্রে দীক্ষিত ছিলেন ; কিন্তু তিনি স্বয়ং বিষ্ণুমন্ত্র গ্ৰহণ করিয়া পরম বৈষ্ণব হন। তীৰ্থস্থানের মধ্যে বৃন্দাবন যেরূপ বৈষ্ণবহৃদয়ে আধিপত্য বিস্তার করি য়াছে, এমন আর কিছুই নহে। সীতারাম রাজধানীর সন্নিকটে যে স্থানে গুপ্ত বৃন্দাবন প্ৰতিষ্ঠার কল্পনা করিয়াছিলেন, তাহারই নাম যদুপতিনগর বা কানাইনগর। সেই স্থানেই কৃষ্ণরাধার যুগল রূপ বৰ্ত্তমান । এই মন্দিরপ্রাঙ্গণে দিবা [াত্র অষ্টপ্রহর সমভাবে হরিনামানুকীৰ্ত্তন হইত। পূর্ব-পার্শ্ববৰ্ত্তী প্রশস্ত অট্টালকার দুইটি প্রকোষ্ঠে দুই দল “কীৰ্ত্তনওয়ালা” বেতন ভোগী হইয়া বাস করিত ; তাহাদের একদল বিশ্রাম করিবার সময় অন্যদল গান গাহিত । মন্দির প্রাঙ্গণ দবানিশি ভক্তমণ্ডলীর প্ৰেমোচ্ছাস কলরোলে কোলাহলময় থাকিত। প্রাচীন ন্দিাবনে গোপগণের বসতি ছিল ; সীতারামের নববৃন্দাবনেও গোপগণের সতি হইল। যে পাড়ায় তাহারা বাস করিত, তাহার নাম গোকুলনগর। এখনও সে স্থানে দুই তিন ঘর গোপের বাস আছে; কানাইনগরের হরেকৃষ্ণ বিগ্রহের সেবুক গোপ ব্যতীত আর কেহ হইতে পারিত না ; এখনও সেই নিয়ম চলিতেছে। কানাইনগরের চতুঃপার্শ্বে যে সকল গ্রাম আছে, তাহাদের নাম শুiামনগর, রাধানগর, মথুরানগর প্রভৃতি। কানাইনগরের বিগ্ৰহগণের সবার বৃত্তিস্বরূপ যে তিনখানি গ্রাম উৎসৃষ্ট হয়, তাহদের নাম হরেকৃষ্ণপুর, Iষ্মীপুর ও বলরামপুর। ইহার অনতিদূরে অপুৰ্ব্ব জলাশয় কৃষ্ণসাগর এখনও শাভা পাইতেছে ; উহাই কালীয়াহুদ বলিয়া কল্পিত হইত। কানাইনগরের ন্দির হইতে রাজধানীর বাজার। পৰ্য্যন্ত এক মাইল ব্যাপী এক প্ৰকাণ্ড পরিখা