পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (প্রথম বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/২৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জগৎশেঠ । RRO কণ্ঠকস্বরূপ মনে করিতেন । জগৎশেঠ ও রায়রায়ানের, উক্ত দুই ভ্ৰাতার ন্যায় বিশেষ কোন উদ্দেশ্য সিদ্ধির ইচ্ছা না থাকিলেও, তাহারা সরফরাজের ব্যবহারে যারপরনাই অসন্তুষ্ট হইয়া উঠেন, এবং হাজী ও আলিবর্দির সদ্ব্যবহারে ক্ৰমে তাঁহাদের পক্ষপাতী হন। পূর্বে উল্লিখিত হইয়াছে যে, সুজাউদ্দীন মৃত্যুকালে পুত্রকে আলমচাঁদ ও জগৎশেঠ প্রভৃতিৰু পরামর্শ লইয়া কাৰ্য্য করিতে উপদেশ দিয়া যান। সরফরাজ সিংহাসনে ਚੋਅ হইয়া প্রথমতঃ কিছুকাল তঁহাদের সহিত পরামর্শ করিয়া রাজকাৰ্য্য পরিচালনা করিতেন, কিন্তু ক্ৰমে ক্রমে তঁহাদের যুক্তি, পরামর্শ অগ্ৰাহা করিতে আরম্ভ করেন। তিনি নিজের খেয়ালের বশবৰ্ত্তী হইয়া যখন যাহা ইচ্ছা হইত। তাহাই করিতেন। সকলের সহিত তাহার মনোমালিন্য দিন দিন বৰ্দ্ধিত হওয়ায় রাজকাৰ্য্যেরও বিশৃঙ্খলা উপস্থিত হয় । ইহার উপর আবার সরফরাজ অত্যন্ত বিলাসপরায়ণ হওয়ায় রাজকাৰ্য্যে মনোযোগ প্ৰদান করিতেন না | এইরূপ কথিত আছে যে, দেড় সহস্র রমণী তাহার অন্তঃপুৱবাসিনী ছিল। নবাব অধিংকাশ সময়ই তাহাদের সহিত আমোদ প্ৰমোদে যাপন করিতেন । তঁহার এইরূপ যথেচ্ছাচারের জন্য রাজকাৰ্য্যে নানারূপ গোলযোগ ঘটিতে আরম্ভ হয়, অনেক কৰ্ম্মচারী তাহাকে শাসনকার্য্যে অকৰ্ম্মণ্য মনে করিয়া তাহার প্রতি অশ্রদ্ধা প্ৰকাশ করিতে থাকেন । ক্রমে সাধারণের এইরূপ বিশ্বাস হয় যে, বাঙ্গলা, বিহার ও উড়িষ্যার বিশালরাজ্য অচিরেই তাহার হস্ত হইতে বিচুত হহবে । সরফরাজ খাঁ মাতামহের প্ৰিয়পাত্র থাকায়, তাহায় নিকট হইতে ধৰ্ম্মানুষ্ঠান শিক্ষা করিয়া ছিলেন। কিন্তু সেই ধৰ্ম্মানুষ্ঠান কেবল বাহ্যিক মাত্র ছিল, ইন্দ্ৰিয়পরায়ণতা প্ৰবল হওয়ায়-তােহর সমস্ত ধৰ্ম্ম কাৰ্য্য ব্যৰ্থ বলিয়াই প্ৰতীয়মান হইত। তিনি মাতামহের প্লাম্মানুষ্ঠানের অনুকরণ করিয়াছিলেন সত্য, কিন্তু তাহার ন্যায় ইন্দ্ৰিয় দমন করিতে পারেন নাই । ফলতঃ র্তাহার ইন্দ্ৰিয়পরায়ণতা ও শাসনকাৰ্য্যের অমনোযোগের জন্য রাজ্যমধ্যে ঘোর বিশৃঙ্খলা উপস্থিত হইল । BBDDYJ BBBD DBBDDDDBD DBDDDDDB KLL DB SKDD S DDDDBB আক্রমণ করেন । উজীর কামরউদ্দীন খাঁ নাদির শাহের আগমন ঘোষণা