পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (প্রথম বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/২৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“শের আফগান ও শের সাহ কি অভিন্ন ?” ( ইতিহাসের কথা ) ১৩০৮ সালের ফাস্তুন সংখ্যা “সাহিত্য”. পত্রিকায় ৫৮৯ পৃষ্ঠার ফুট নোটে সুযোগ্য “সাহিত্য” সম্পাদক মহাশয় প্ৰশ্নবোধক একটি টিল্পনী করিয়াছেন। উক্ত টিল্পনীর কারণানুসন্ধান করিতে গিয়া দেখিলাম, শ্ৰীবুত ধৰ্ম্মানন্দ মহাভারতী মহাশয় “সাসারামের রোজা” শীর্ষক প্ৰবন্ধে শের সাহ প্রসঙ্গে কয়েকটী অনৈতিহাসিক উক্তির অবতারণা করিয়াছেন, প্ৰতিবাদের সৌকর্য্যাৰ্থ সেই উক্তিগুলি আমরা এই স্থলে উদ্ধত করিলাম :- “শের সাহ নানাশাস্ত্ৰে, নানাবিদ্যায় ও নানাভাষায় অভিজ্ঞ ছিলেন । বাবর, আকবর ও তৈমুরলঙ্গ ব্যতীত এত বড় বিদ্বান সম্রাট মুসলমানদিগের মধ্যে আর কেহই ছিলেন না । • • • • • • তাহার ( শের সাহের ) প্ৰকৃত নাম ফকির উদ্দীন, শেরসহ তাহার উপাধি মাত্র । তিনি অনেকবার ব্যান্ত্রের সহিত লড়াই করিয়া জয়ী হইয়াছিলেন এজন্য শের সাহ উপাধিতে অভিহিত হইতেন । জগদ্বিখ্যাত নুজাহান সৰ্ব্ব প্রথম ইহারই বিবাহিত পত্নী ছিলেন । ষড়যন্ত্রের ফলে নুর্জাহান পরিণামে অপর পুরুষের হস্তগতা হয়েন । শের সাহ প্ৰথমে দিল্লীর প্রধান সৈন্যাধ্যক্ষের অধীনে সেনাপতি ছিলেন, তদনন্তর বদ্ধমানের শাসনকৰ্ত্ত হইয়া বঙ্গদেশে আগমন করেন । ফকির উদ্দীন দিল্লীর সিংহানে অভিষিক্ত হইয়া অতি সামান্যকাল রাজদণ্ড ধারণ করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন । নানা কারণে, বিশেষতঃ ষড়যন্ত্রে তিনি দিল্লী হইতে তাড়িত হইয়া পুনরায় বঙ্গদেশে আগমন করিতে বাধ্য হয়েন । এবার তিনি বেহারে রাজধানীর প্রতিষ্ঠা করিয়া সাসারামকে দার-উল-সুলতানা (রাজধানী ) বলিয়া ঘোষণা করেন। সসারামে শের সাহের মৃত্যু হয়। • • • • • • হোসেন সুর সাহ ফকিরুদ্দীন সেরাসাহের কনিষ্ঠ সহোদর ছিলেন।” । “সাহিত্য” সম্পাদক মহাশয়ের ঐ প্রশ্নবোধক টিপ্পানী ব্যতীত পূর্ণ দুই বৎসরের মধ্যে উপরোস্থত বিষয়ে কেহ কোন কথা বলেন ব্লাই বলিয়াই