পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (প্রথম বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/২৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জগৎশেঠ । BGI) ছিলেন, আলিবর্দীর অনেকগুলি কৰ্ম্মচারীর হস্তে সেই টিপ পড়িয়াছিল। এমন কি তাহার প্রধান কৰ্ম্মচারী মস্তাফা খাও একখানি টিপ প্ৰাপ্ত হন। মস্তাফা খাঁ আলিবর্দীকে সমস্ত কথা জানাইয়া পরদিন যুদ্ধের জন্য প্ৰস্তুত হইতে বলায়, আলিবর্দী তাহাতে স্বীকৃত হন । * মুতাক্ষীরণের উক্ত বিবরণ সত্য কিনা তাহা বুঝা যায় না। আলিবর্দী খাঁর সহিত জগৎশেঠের যেরূপ যোগ ছিল, তাহাতে তিনি যে আলিবর্দীকে ধরিবার জন্য চেষ্টা করিবেন। দুইহা বিশ্বাস করা যায় না, তবে যদি নবাবের আদেশে তিনি বাধা হইয়া উক্ত কৰ্ম্মে নিযুক্ত হইয়া থাকেন, তাহা হইলে তাহা সম্ভব হইলে ? হইতে পারে। ফলতঃ জগৎশেঠ ইচ্ছাপূৰ্ব্বক যে উক্ত কাৰ্য্যে নিযুক্ত হন নাই, ইহাতে কোন সন্দেহ নাই । মুতাক্ষরীণের অনুবাদক উহার বিপরীত কথারই উল্লেখ করিয়া থাকেন। তিনি বলেন যে, আলিবর্দী খাই জগৎশেঠের দ্বারা সরফরাজের কৰ্ম্মচারীদিগের নিকট এইরূপ টপ পাঠাইয়াছিলেন, অনুবাদকের সময় সরফরাজের একজন কৰ্ম্মচারী জীবিত ছিলেন । তিনি চারি হাজার টাকার এক টিপ পাইয়াছিলেন বলিয়া প্ৰকাশ করেন । এইরূপ টিপ পাইয়া সরফরাজের কৰ্ম্মচারিগণ ধুলা মাটি আবর্জনার দ্বারা কামান পূর্ণ করিরা যুদ্ধ করিয়াছিল ! + সরফরাজের কোন কোন কৰ্ম্মচারী বিশ্বাসঘাতকতা অবলম্বন করিলে ৪ তাহার বিশ্বাসী সেনানীগণ আলিবর্দীর সহিত প্ৰাণপণে যুদ্ধ করিয়া আপনাদিগের প্রভৃভক্তির পরিচয় দেখাইয়াছিলেন । As

  • Mutaqherin ( English translation ) vol II p. 363.

it "We know for certain, and this is the universal report, that the nuanoeuvre was played by Alevurdy qhan himself through Djagatseat, his friend, againts Serefraz qhan's officers; and we have been assured by One of them still living, that himself had received such a Tip for 4ooo R. and had been desired to load the artillery only with earth and rubbish. The universal report at Moorshoodabad is, that in fact some guns were Served in that manner; and by the by not a word is said by the author of Serefarz khan's artillery." ( Mutaqherin Translator's note p. 383) বারুদ ও গোলাগুলির পরিবর্তে সরফরাজের কৰ্ম্মচারিগণ কর্তৃক ধুলা মাটি দ্বারা কামান ছাড়ার কথা তারিখ বাঙ্গালা ও রিয়াজুস সালান্তীন গ্রন্থেও লিখিত আছে।