পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (প্রথম বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/৩৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


VOSV धेडिशनिक क्रिख्य । তাহার প্রচলন অধিক ছিল ; এবং মহারাষ্ট্রীয় সৈন্যের অধিকাংশই তত্তৎ প্ৰদেশ হইতে সংগৃহীত । ধন-রত্নাদি গোপন করার পরও যে গাদী হইতে দুই কোটী আর্কট মুদ্রা অনায়াসলভ্য হইতে পারে, অন্যান্য মুদ্রা তাহাতে কি পরিমাণে ছিল৷” ইহাই অনুমান করিলে শেঠদিগের গদীর তাৎকালীন শ্ৰীবৃদ্ধির বিষয় সহজেই প্ৰতীত হইবে । নবাব আলিবর্দি খাঁ কাটোয়া পরিত্যাগ করিলে মহারাষ্ট্ৰীয়ের কাটোয়ায় আপনাদিগের শিবির সন্নিবেশ করে, এবং ক্রমে ক্ৰমে ভাগীরথীর পশ্চিমপার্শ্বস্থ সমস্ত স্থান অধিকার করিয়া বসে । হুগলী হইতে রাজমহল পৰ্যন্ত বিস্তীর্ণ ভুভাগ তাহাদের অধিকারভুক্ত হয়, সেই সময়ে ঘোরতর বর্ষ উপস্থিত হওয়ায় নবাব তাহাদিগকে আক্রমণ করিতে সাহসী হন নাই । নবাবকে নীরব দেখিয়া মহারাষ্ট্ৰীয়েরা ভাগীরথী পার হইয়া পুৰ্ব্ব তীরে মুর্শিদাবাদের নিকট পৰ্যন্ত অগ্রসর হইয়া অনেক স্থান লুণ্ঠন করে ও তথাকার শস্যাদি বিনষ্ট করিয়া ফেলে। সেই সেই স্থানের অধিবাসীরা পলায়ন করিয়া অন্যান্য স্থানে আশ্রয় লইতে বাধ্য হয় । সম্রাট মহম্মদ সাহ রঘুজীর বাঙ্গলা আক্রমণ ও অধিকারের কথা অৰগত হইয়া, রঘুজীর সৈন্যদিগকে বাঙ্গল হইতে বিতাড়িত করিবার জন্য পেশওয়া বালাজী বাজীরা ওকে অনুরোপ পত্ৰ লিখিয়া পাঠান । এদিকে বর্ষার অবসানে নবাব আলিবর্দি খাঁ অধিকতর সৈন্য সংগ্ৰহ করিয়া মহারাষ্ট্ৰীয়াদিগকে আক্রমণের জন্য কাটোয়াভিমুখে অগ্রসর হন । ভাগীরথী ও অজয় পার হইয়া নবাব সৈন্য মহারাষ্ট্রীয়দিগকে আক্রমণ করে, তজ্জন্য অজয়ের উপরে নৌসেতু নিৰ্ম্মাণ করিতে হইয়াছিল। যেরূপ কৌশলে নৌসেতু নিৰ্ম্মাণ করিয়া, নবাব মহারাষ্ট্ৰীয়দিগকে আক্রমণ করিয়া ছিলেন, সেরূপ সমরকৌশল অল্প যুদ্ধেই দৃষ্ট হইয়া থাকে। অজয় পার হইয়া নবাব সহসা কাটােয়ায় মহারাষ্ট্রীয়দিগকে আক্রমণ করিলে তাহারা এই আকস্মিক আক্রমণে ভীত হইয়া তথা হইতে প্ৰস্থান করে । নবাব ক্ৰমে তাহদের পশ্চাদ্ধাবন করিয়া মহারাষ্ট্ৰীয়দিগকে দাক্ষিণাত্যাভিমুখে বিতাড়িত করিয়া দেন। shစ္ဎ धुछेक পেশওয়া বালাজী বাজী রাও বাঙ্গলায় উপস্থিত হন। তিনি