পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র - পঞ্চম পর্য্যায়.pdf/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SS थेडिश्ॉजिक 5िय । বেদে স্থান পাইয়াছে, সুতরাং ইহা কেবল পরমাত্মবিদ্যা ইহা বলা চলিতে পারে না। তাহা হইলে স্বয়ং মুণ্ডক কেন বেদচতুষ্টয়াকে অপরা বিদ্যা বলিবেন ?-- তত্ৰাপরা ঋগ বেদে যজুৰ্বেদঃ সামবেদঃ অথর্ববেদঃ শিক্ষাকল্পে ব্যাকরণং নিরুক্তং ছন্দো জ্যোতিষমিতি । অথি পরা যয়া তদক্ষরমধিগম্যতে। ১০ পৃষ্ঠা। অপিচ যিনি অগ্রজ, সেই লোকপিতামহ ব্ৰহ্মা বা বিরাট কিংবা হিরণ্যগৰ্ভ নিজে ভাষাহীন উলঙ্গ বর্বর ছিলেন। তিনি কি প্রকারে বেদ প্ৰবক্তা হইতে পারেন ? তাহা হইলে মহর্ষি বায়ু কেন বলিবেন—“বেদা সপ্তর্ষিভিঃ প্রোক্তাঃ ?” ফলতঃ যিনিই বেদ পাঠ করিয়াছেন, তিনিই বলিবেন— বেদমন্ত্র সকল যুগে যুগে ভিন্ন ভিন্ন ঋষি ও ঋষি-কন্যাকাগণদ্বারা প্ৰণীত চইয়াছে। দাসীপুত্র কক্ষীবান ও কক্ষীবানের কন্যা ঘোষা পৰ্যন্ত বেদ রচনা করিয়াছেন, সুতরাং শঙ্কর যে বলিতেছেন, বেদ অগ্ৰজ ব্ৰহ্মা কর্তৃক প্রণীত তাহা অলীক ও অমূলক । তৎপরে স্বয়ং পরমেশ্বর বেদের অধ্যাপনা করিয়াছেন বা করিতেছেন কিংবা করিয়া থাকেন, ইহা অতীব হাস্যজনক ব্যাপার। তবে যে দেশের লোকেরা বিশ্বাস করিতে অবনতিকঙ্কর যে ভগবতী রামপ্ৰসাদসেনের বেড়া বান্ধিয়া দিতেন, সে দেশে এ শঙ্করভাষ্য প্রতিষ্ঠালাভ করিতে পারে । কিন্তু চক্ষুন্মান রামানুজ ও মধবাচাৰ্য্য শঙ্করকে সাক্ষাৎ শঙ্কর বানাইতে দিতে প্ৰস্তুত ছিলেন না । অবশ্য আমরা অবনত কন্ধারে শঙ্করের গুণের পূজা করিব। কিন্তু তাহার প্ৰেমাদ ও ভ্রান্তিরও সভাজনা করিতে হইবে ইহা যুক্তির কথা নহে। এই অতিভক্তিই আমাদের দেশের মনুষ্যত্ব হরণ করিয়া আমাদিগকে হিদেনে পরিণত করিয়াছে । ছন্দোগ্যের দুইটি স্থানেও ব্ৰহ্মার বেদাধ্যাপনার কথা রহিয়াছে । বলা বাহুল্য, শঙ্কর