পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র - পঞ্চম পর্য্যায়.pdf/৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


द६भन्न ब्रांख्रिद९* । e -গাছি” নামক গ্রামে পুত্রসহ বাস করিতে লাগিলেন । মূলাযোড় তখন বাণীবর পুত্ৰ নবদ্বীপাধিপতি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের • সভাসদ কবিবর ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের ইজারাভুক্ত ছিল । মহারাজ তিলকচন্দ্রের সঙ্গীয় হস্তী, অশ্ব প্ৰভৃতি গ্রামে প্ৰবেশ করিয়া বৃক্ষাদি নষ্ট করিতেছে দেখিয়া ব্ৰহ্মস্ব-হরণ-ভয়-ভীতা মহারাজ জননী মূলাযোড় গ্রাম পত্তনিলওয়া স্থির করিয়া মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের নিকট পত্র লিখিলেন। কৃষ্ণচন্দ্ৰ মহারাজ জননীর প্রার্থনামত তাঁহার কৰ্ম্মচারী রামদেব নাগের নামে মূলাযোড় পত্তানি লিখিয়া দিলেন । বৰ্দ্ধমান রাজ কৰ্ম্মচারী রামদেব নাগ পত্তানি গ্ৰহণ করিয়া সকল লোকের উপর অত্যাচার করিতে আরম্ভ করায় ভারতচন্দ্ৰ ক্রোধবশতঃ বিশেষ পাণ্ডিত্য ও কবিত্ব প্রদর্শনপূর্বক সংস্কৃত ভাষায় ৮ট শ্লোকে রামদেব নাগের অত্যাচার-কাহিনী বৰ্ণনা করিয়া পত্ৰযোগে কৃষ্ণচন্দ্ৰ সমীপে প্রেরণ করেন । এই নাগের অত্যাচার-কাহিনীই সাহিত্যজগতে ‘নাগাষ্টক’ নামে প্ৰসিদ্ধিলাভ করিয়াছে। বর্গীর হাঙ্গামার অবসান হইলে জননীসহ মহারাজ তিলকচন্দ্ৰ নিজরাজ্যে ফিরিয়া আসিলেন । তিলকচন্দ্ৰ অতিশয় সাহসী, স্বাধীনচেতা ও রাজভক্ত ছিলেন । ১৭৫৭ খৃঃ অব্দে বাঙ্গলার রাজলক্ষ্মী লইয়া যখন নবাব ‘সিরাজদ্দৌলা ও ইংরাজের মধ্যে সংঘর্ষ উপস্থিত হইয়াছিল, তখন মহারাজ তিলকচন্দ্ৰ ইংরাজদগকে আশ্ব দিয়া প্ৰভূত উপকারসাধন করিয়াছিলেন, তাই ১৭৬০ খৃঃ অব্দে ইষ্ট-ইণ্ডিয়া-কোম্পানী মহারাজ তিলকচন্দ্র ও তদীয় দেওয়ান এবং অন্যান্য প্ৰধান কৰ্ম্মচারীদিগকে ১৭৫২৫২ টাকা মূল্যের খেলাত দিয়াছিলেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় অতি অল্পদিনের মধ্যেই স্বার্থপর ইষ্ট-ইণ্ডিয়া-কোম্পানী মহারাজকৃত উপকার বিস্মৃত হইয়া তাহার সহিত শক্রিতা করিতে আরম্ভ করিলেন । ফলে সঙ্গীতগোলা ও সেনপাহাড়ি প্রভৃতি স্থানে ইংরাজসৈন্য ও রাজসৈন্যগণের মধ্যে সংঘর্ষ উপস্থিত হইয়াছিল । তিলকচন্দ্র একজন দেবদ্বিজ ভক্ত নরপতি ছিলেন। কথিত