পাতা:কবিকঙ্কণ-চণ্ডী (প্রথম ভাগ) - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মহাদেবের দেবত্বের ক্ৰমবিকাশের ইতিহাস 86t মহাভারতের মধ্যে বৈদিক, রুদ্রের অনেক পরিবর্তন হইয়াছে। তবু এখনো রদ্র ও মহাদেব সম্পূর্ণ এক অভিন্ন দেবতা হইয়া উঠেন নাই। বেদে রূদ্রের স্ত্রীর নাম রোদসী ; মহাভারতে রুদ্রের পত্নী রুদ্রাণী ( উদ্যোগপৰ্ব্ব ); কিন্তু মহাদেবের পত্নী পাৰ্বতী বা উমা ;-তখনো গৌরী অম্বিকা বা উমার সঙ্গে রুদ্রাণী একাত্মতা লাভ করেন নাই । শান্তিপর্বের ২৮২ অধ্যায়ে দক্ষযজ্ঞের বর্ণনা আছে ; ঐ যজ্ঞে শিব বাদে সকল দেবতারই নিমন্ত্রণ হওয়াতে পাৰ্ব্বতী ক্ষুঃ হইয়া শিবকে তঁর অনিমন্ত্রণের কারণ জিজ্ঞাসা করিলেন । শিব বলিলেন-পূর্বকাল হইতে দেবতারা যে বিধান করিয়াছেন, তাতে কোনো যজ্ঞেই তঁৰ ভাগ কল্পিত হয় নাই যজ্ঞেষু সৰ্ব্বেষু মম ন ভাগ উপকল্পিতঃ ॥২৬ DS SD KDLS sBBD DK S BBDBK DBBBDL0 DD MLTS SDBD KBDD OgOLBDBBBB SBDBBD SDBDB000YBDS S DDBBBB KDS S SEBBB প্ৰসুতি শিবকে বলিতেছেন ८तitठ अश्भि ७द ११भ मिश्रृं; । সেই বেদ পঢ়ি মোব পাতি হৈল মূঢ় | আপনি বিচাবি কবি, পরি৯র রোষ । দক্ষের এ দোষ কেন, বেদের এ দোষ | স্বামীব আনিমন্ত্রণে দেবীর দুঃখ দেখিয়া মহাদেব আত্মমাহাত্ম্য প্ৰতিষ্ঠাব জন্য যজ্ঞভাগ আদায় কবিতে যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হইলেন। কিন্তু বৈদিক দেবতাদের পৃষ্ঠপোষক দক্ষ শিবকে বলিলেন-“সন্তি নো বচাবঃ রুদ্রাঃ শূলহস্তাঃ কপর্দিন, তুমি তাদের মধ্যে কোন জন?” যজ্ঞভাগ না পাইয়া শিব যজ্ঞ ধ্বংস করিলেন; তখন ব্ৰহ্মা স্বীকাব করিলেন এখন হইতে শিবকে যজ্ঞভাগ দেওয়া হইবে। এখানে যজ্ঞবধ আছে, কিন্তু দক্ষেব মুণ্ডচ্ছেদ নাই; পাৰ্ব্বতী আছেন, কিন্তু তিনি দাক্ষায়ণী নহেন, এবং যজ্ঞে তিনি দেহত্যাগও কবেন নাই। বৈদিক রুদ্রও প্ৰথমে যজ্ঞভাগী ছিলেন না, মহাদেবকেও যজ্ঞভাগের জন্য জোর করিয়া স্বত্ব প্ৰতিষ্ঠা করিতে হইল। শিব যে বাহির হইতে ভারতীয় দেবসমাজে আগন্তু দেবতা, তাহা পুরাণেও স্বীকৃত দেখা যায়। ব্ৰহ্মা ক্রুদ্ধ হইয়া বিষ্ণুকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন- “এই শঙ্কর নামক আগন্তু আমাদের অপেক্ষা কোন গুণে শ্ৰেষ্ঠ ?”-ব্ৰহ্মাণ্ডপুরাণ, ২৫ অধ্যায়, বঙ্গবাসীর অনুবাদ। মহাভাবতের শিব আদিতে সাধারণ মনুষ্যকৃতিই ছিলেন-এক মাথা, দুই চোখ । একদিন উমা কৌতুক করি যা শিবের পিছন হইতে র্তাব চােখ দুটি দুই হাতে চাপিয়া ধরেন ; শিবের চক্ষু আবৃত হওয়াতে সৃষ্টি অন্ধকারে নিমজ্জিত হইয়া ধ্বংসপ্ৰায় হইল ; তখন দেবতাদেয় অনুরোধে শিব ললাটে তৃতীয় নেত্ৰ প্ৰকাশ কবিলেন। সেই তৃতীয়