খোদার উপর খোদকারী
তিনি সমগ্র মানুষটাকে দেখে পরিতৃপ্ত হয়েছিলেন; মদের গন্ধে ভির্ম্মি যান নি।
আমি তাই বলি, দু’শ’ মানুষ খুন কর, আর রামায়ণের বিগলিত করুণার প্রস্রবণ বহিয়ে দাও; দু’শ বোতল মদ খাও, আর বিশ্বমঙ্গল, চৈতন্যলীলা, প্রফুল্ল, সিরাজদ্দৌলা লেখ; দু’শ রজকিনী রামীর প্রেমে মজে’ মজগুল হ’য়ে পদাবলীর লহরী ছড়িয়ে দাও, আমি তোমায় মাথায় করে’ নাচব। “কে কাকে মারে, তিনিই মেরে রেখেছেন” বলে’ খুনকে খুন নয় প্রমাণ কর্ত্তে চেষ্টা করব না; মদকে “কারণ” বলে’ মনকে আঁখি ঠারব না, আর রজকিনী রামীকে শ্রীরাধিকা প্রতিপন্ন না করে’ তা’কে রামী ধোপানিই বলব, এবং তা’র সম্পর্ককে দেহের সম্পর্কই বলব। আধ্যাত্মিক, অহেতুকী, আত্মিক ইত্যাদির কুঞ্ঝটিকা সৃজন করে’ বুজরুকি করব না। কিন্তু খবরদার প্রথমটা করেই শেষ করে’ দ্বিতীয়টা পাওনা রেখে দিও না, রাসলীলা করে’ শেষে গোবর্দ্ধন ধারণের বেলায় পেছিও না; লাঠ্যৌষধির ব্যবস্থা করব!
৬১