পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/১৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যায় । * ● রায়ের আদেশ প্রাপ্তিমাত্ৰই, তিনি নিতান্ত অনিচ্ছার সহিত—শ্ৰীপুরে প্রত্যাবর্তন করেন । ঈশাখা পরম রূপবান পুরুষ ছিলেন । বার-ভুইয়। প্রবন্ধ-লেখক নানন্দবাবু বলেন– “ঈ iখা সম্বন্ধে সোণামণির মনোগত ভাব কিরূপ দুল, তাহা পরিগ্রহ করিবার কোন উপায়ই নাই। কিন্তু তাহার পরবর্তী রিত্র পর্যালোচনা করিলে ও ঈশাখার প্রতি উপহার অতুরাগের বিষয় ভাবিলে, মনে এই উপলব্ধি হয়, যে সোণামণি, ঈশাখাকে প্রাপ্ত হইয়া অনুমাত্র অসুখী হন নাই । বরঞ্চ তাহার জীবনের কতকগুলি মহৎ উদ্দেশু। সাধনের পক্ষে, ঈশখণর আশ্রয়ই তাহার পক্ষে বিশেষ কাৰ্য্যকারী হইয়াচিল।” হিন্দুরমণীর এইরূপ প্রবৃত্তি, জানি ন—তৎকালীন বিক্রমপুর সমাজে কিরূপ ভাবে গৃহীত হইয়াছিল ! • সোণামণি, ঈশখার করতলগত হইয়া, সোণাবিবি ও বিবি আলি নেয়ামত নামে পরিচিত হইলেন। ঈশাখী প্রথমে-হুসেন সাহের দৌহিত্রী করিম ফন্তেয়া-খাতুনের পাণি গ্রহণ করেন। কিন্তু ঈশাখ7–তাহার দুই গত্নীর মধ্যে, সোণাবিবিকেই সমধিক সম্মান করিতেন । এদিকে চাদরায়, সোণামণির ব্যাপারে---হৃদয়ের বল হীরাইলেন । প্তাহার বংশগৌরবে ঘোরতর কালিমা নিক্ষিপ্ত হইল। গৰ্ব্বিত সন্মান, পূর্ববঙ্গের সামাজিক-নেতৃত্ব, সম্পূর্ণরূপে অবনত হইল। চাদরায়-ভগ্নহৃদয়ে শয়া অভ্রর করিলেন । এই শয্যাই তাহার অস্তিমশয্যা ! কোটশ্বরের পদমূলে আশ্রয় পাইয়া, তিনি সকল জালাযন্ত্রণা হইতে এড়াইলেন। আর সেই বিশ্বাস-ঘাতক শ্ৰীমন্ত, খিজিরপুরে—ঈশাখণর আশ্রয়ে বাস করিতে লাগিল । কেদাররায়, বিক্রমপুরের সিংহাসনে অধিরোহণ করিলেন । এই সময়ে আকবরসাহের দেহ, সেকান্দ্রার অন্ধতমসাবৃত সমাধি-ক্ষেত্রে দ্যস্ত হইয়াছে। মুলতান সেলিম, জাহাঙ্গীর উপাধি ধারণ করিয়া, দিল্লীর সিংহাসনে উপবিষ্ট । এই সময়েই বঙ্গের ভূইয়াগণ প্রতাপাদিত্যকে অগ্রণী করিয়া, মোগল-শক্তির বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান হন। মহারাজা মানসিংহ, কি উপায়ে প্রতাপের ধ্বংশ-সাধন করেন, তাহা আমরা পূৰ্ব্বে বলিয়াছি। প্রতাপের ধ্বংশের পর, তখনও দুই জন ভূইয়া মোগল-শক্তির বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান। ইহঁাদের মধ্যে প্রথম—ভূষণাধিপতি মুকুন্দরায়, দ্বিতীয়—বিক্রমপুরধিপতি কেদাররায়। মুকুন্দরায়ের ভূষণা আক্রমণ করিয়া, মানসিংহ অতি नवीडीब्राउब्र बानण दाबून अदक । &