পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/১৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ృ&8 কলিকাতা সেকালের ও একালের । জানিতে পারেন। সিলাক্সের কথিত বৃত্তাস্ত, নানাবিধ অদ্ভূত བཱ་ག་ পরিপূর্ণ ছিল। 4 সিলাক্সের লিখিত বৃত্তান্ত পাঠ করিয়া, পরবর্তী যুগের গ্রীসিয়দের মনে ভারত-ভ্রমণের আকাঙ্ক্ষা জাগিয়া উঠে। ইহার পর আমরা হেরোডটাসের গ্রন্থে, ভারতের আংশিক বিবরণ দেখিতে পাই। খৃঃ পূৰ্ব্ব ৩২৭ অকে সুপ্রসিদ্ধ সেকেনার-সীহ ( আলেকজান্দার ) ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন। তাহার সঙ্গে, কয়েকজন প্রথিতনাম গীসিয় ইতিবৃত্ত-লেখক আসিয়াছিলেন। তাহারা ভারতবর্ষের লোকবিশ্বত ঐশ্বৰ্য্য,গগণম্পর্শ উত্তঙ্গ-শৃঙ্গময় পৰ্ব্বতমাল, মৃদুসমীরান্দোলিত শস্যক্ষেত্র, শ্যামল প্রাস্তর, তিমিরময় খনিমধ্যে, স্ববর্ধ ও ঈরকস্তৃপ ও নাগরিকদের ঐশ্বর্য্য সম্বন্ধে, অনেক কথা লিপিবদ্ধ করিয়া যান। আলেকজান্দারের সমকালবৰ্ত্তী, মিগাস্থিনিসের গ্রন্থে, প্রাচীন ভারতের ঐশ্বর্যা-প্রবাদ সম্বন্ধে, অনেক কথা তৎকালীন ইউরোপে প্রচারিত হয়। : মিগাস্থিনিস, ভারত সম্রাট চন্দ্র গুপ্তের রাজসভায়, বহুদিন অবস্থান করিয়াছিলেন। প্রথমত সেলুকসের দৃতরূপে, তিনি বহুকাল পাটলীপুত্রে অবস্থান করেন। এই মিগাস্থিনিসের লিখিত বিবরণ হইতেই, অমরা জানিতে পারি—“ভারত সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের ছয়লক্ষ পদাতিক, ত্ৰিশ সহস্ৰ অশ্বারেী সেনা ছিল। নয় হাজার হস্তী, সৰ্ব্বদা যুদ্ধার্থে প্রস্তুত থাকিত। চন্দ্রগুপ্তের অধীনস্থ এই সমস্ত অক্ষৌহিণী সেনা—যুদ্ধকুশল, রণনীতিদক্ষ ও অত্যন্থ বলীয়ান ছিল। তাহার আমলে পুলিস বন্দোবস্ত এতদূর সুন্দর ছিল, যে | সেরূপ সুবন্দোবস্ত ইউরোপীয় প্রদেশ সমূহেও দেখা যাইত না।” আমরা কলিকাতার ইতিহাস লিখিতে বসিয়াছি । ইহার সহিত, ভারতে ইউরোপীয়দের আগমন ব্যাপার সম্পূর্ণরূপে বিজড়িত । পটুগীজ, ওলায় দিনেমার, ফরাসী, ইংরেজ প্রভৃতি জাতি বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে, এই ভারতবর্ষে আগমন করেন। তঁহাদের সকলেরই প্রধান লীলাক্ষেত্ৰ—এই বঙ্গদেশ। হুগলী চুচুড়া, শ্রীরামপুর, মুতালুট ও কলিকাতা প্রভৃতি স্থানের ঘটনাবলীর সহিত তাঙ্গদের কৰ্ম্মময় জীবনের অতীত ইতিহাস সম্পূর্ণরূপে-বিজড়িত। অ্যাং ইউরোপীয়দের বর্জন করিয়া, ভাগ্যলক্ষ্মী ইংরাজদের প্রতিই অবশেষে গ্র্যর হন। ওলন্দাজ,দিনেমার প্রভৃতি জাতির স্মৃতি, বঙ্গদেশ হইতে সম্পূর্ণরূপে মুছির গিয়াছে। ফরাসীর ক্ষুদ্র অধিকার চন্দননগর এখনও এই বঙ্গে, উক্তজাতি পূৰ্ব্ব অস্তিত্বের স্মৃতি আজও অতি ক্ষীণভাবে রক্ষা করিতেছে। দিনেমা ওলন্দাজের কথা আমরা ত একরূপ ভুলিয়াই গিয়াছি। চুচুড়, স্ত্রীরামপুর '