পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/২২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ষষ্ঠ অধ্যায়। מל"לל নগার বিস্তারিতরূপে বর্ণনা করিতে গেলে, আমাদের স্থানে কুলাইবে না। রুড় আমরা ঐতিহাসিক চিত্র হইতে অতি সংক্ষেপে নিম্ন লিখিত ঘটনাবলী স্থলে উদ্ধত করিয়া দিলাম। “পাছে পটুগীজগণ এই আক্রমণের সন্ধান পায়, এই আশঙ্কায় বাদসাহী সনগুণ, হিজলী অধিকারের জন্য যাইতেছে, এই কথা প্রচার করিয়া দেওয়া ষ্টল। আল্লা ইয়ারখা, হিজলী যাত্রার অছিলায়, বদ্ধমান নগরে অবস্থিতি {য় খাজা সের প্রভৃতি সৈন্তাধ্যক্ষগণের অপেক্ষা করিতে লাগিলেন। রাজা সের শ্ৰীপুর হইতে * রণতরী সমেত পটুগীজদিগের নদীমুখে পলায়ন-পথ রুদ্ধ করিবার জন্য প্রেরিত হইয়াছিলেন। র্তাহার রণতরীর রে, মোহানাতে উপস্থিত হইলে, আল্লাইয়ার খী হুগলীতে উপস্থিত হইয়া, পুট গজদিগকে আক্রমণ করিবেন—এইরূপ স্থির হয়। খাজা সের মোহানাতে উপস্থিত হইলে, আল্লাইয়ার খ। বৰ্দ্ধমান হইতে যাত্রা করিয়া, সপ্তগ্রাম ও ছালীর মধ্যস্থ হলদীপুর নামক গ্রামে উপস্থিত হন। খাজা সেরও মোহান। ংহে হুগলীর দিকে অগ্রসর হইতে থাকেন। এই সময়ে বাহাদুর কুস্থ, মৃত্যু মুদাবাদ হইতে পাচশত অশ্বারোহী ও বহুসংখ্যক পদাতিক লইয়া আiয়।ইয়ার খণর সহিত যোগদান করেন । সেনাপতি খাজা সের এমন এক স্থানে উপস্থিত হইলেন, সেখানে অতি সেই হুগলীর পার্শ্ববৰ্ত্তী জঙ্গল মধ্যে, একটা সংকীর্ণ স্থান সেতুদ্বারা বন্ধ ক:িলে, পটুগীজদিগের পলায়ন পথ বদ্ধ করা যায়। এইরূপ ব্যবস্থা করায় পটু খুঁজের আর কোনরূপে জাহাজে আরোহণ করিয়া সমুদ্রাভিমুখে iিঃম করিতে পারিল না । যদিও পটুগীজগণের গতিরোধ করিয়া, বাদসাহী সৈন্য হুগলী অধিকারের ছন্ত বিশেষরূপে চেষ্টা করিয়াছিল, তথাপি তাহারা পটুগীজদিগকে দমন করতে সক্ষম হয় নাই। হুগলী বন্দরের প্রতিষ্ঠা করিয়া, পটুগীজের উথায় এমন দুর্ভেদ্য দুর্গ করিয়া রাখিয়ছিল, যে সহসা সেতুর্গমধ্যে প্রবেশ করা সহজ কাজ নহে। সেই দুর্ভেদ্য দুর্গ, নদী, ঝিল ও পরিখাদ্বারা বেষ্টিত।

  • স্বপ্রসিদ্ধ ইংরাজ ঐতিহাসিক ইলিয়াট ও ষ্টয়ার্ট সাহেব, এই পুরকে স্ত্রীরামপুর বিঃ, বোধহয় যেন ভ্রমে পতিত হইয়াছেন। কাশিমর্থ, ঢাকা হইতেই যুদ্ধযাত্রার আদেশ ধান করেন। খুব সম্ভবতঃ ঢাকার নিকটবৰ্ত্তী পদ্মার উপরই বাদসাহী রণতরী থাকিত। ধপুর পদ্মার তীরবত্তী ও সমুদ্রের নিকটবৰ্ত্তী। ত্রপুর হইতে নদীপথে হুগলী পৰ্য্যস্ত দীর পথও নির্দিষ্ট ছিল। এ সম্বন্ধে স্বপ্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক নিখিলবাবু বলেন—“প্রকৃতপক্ষে, ধামপুর নহে—শ্ৰীপুর" এ বিষয়ে নিখিলবাবুর সহিত আমাদের কোন মতভেদ নাই।