পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৩৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বাদশ অধ্যায় । প্রথম অধিবেশনের যে মন্তব্য ইতিপূৰ্ব্বে উদ্ধত করিয়াছি, তাহ হইতে কোম্পানীর তৎকালীন অবসি-স্থানের কষ্টের কথা জানিতে পারা যায়। রঞ্জাজ কৌন্সিলের কৰ্ত্তা, এই সময়ে কলিকাতার কুঠীর শোচনীয় অবস্থা সম্বন্ধে, বিলাতের কর্তৃপক্ষদের সাহা লিখিয়াছিলেন তাহার সার মৰ্ম্ম এই— "তালুটার ইংরাজ কোম্পানীর কৰ্ম্মচারীরা অতি শোচনীয় অবস্থায় কালযাপন করিতেছেন । ইংরাজের আবাসস্থান ও গুদাম প্রভৃতি সুরক্ষিত রছে। বাটগুলির অধিকাংশই মাটির ঘর। কুঠার অধিকাংশ কৰ্ম্মচারী তৰু থাটাইয়া বাস করে, অথবা নদীতে বোটের উপর থাকে। আর কোম্পানীর অত মাল-পত্র, সম্পত্তি ও জাহাজ প্রভৃতি রক্ষা করিবার জন্য একশত গোরা সৈন্য মাত্রই সঙ্গল।" চার্ণক মৃত্যুর পূৰ্ব্বে লালদিঘির ধারে দুইটা মাত্র বাড়ীর বন্দোবস্ত করিতে পারিয়াছিলেন । তখন স্ব তালুটতে অনেক পটুগীজ থাকিত । ঠুংদের একটা “Mass-House" বা প্রার্থন-গৃহ ছিল। দ্বিতীয় পাকাবাড়ী- লালদিঘির সান্নিধ্যে মজুমদারদের পূর্বকথিত কাছারিবাড়ী। চার্ণক মজুমদার-বংশীয় বিদ্যাধর রায়চৌধুরী মহাশয়ের নিকট, তাহার কাছারী বাড়িট জমা করিয়া লয়েন ৷ ‘ রায়চৌধুরী মহাশয়ের জায়গীরের মধ্যেই স্থতালুট কলিকাতা ও গোবিন্দপুর গ্রামত্রয়। এই বিদ্যাধর রায়চৌধুরীর, একজন ফিরিঙ্গি আমি মোক্তার বা নায়েব ছিল—তাহার নাম এণ্টনি সাহেব। একদিন ঘটনাবশে, এই এণ্টনির সহিত জব চাণকের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে একটা সংঘর্ষ উপস্থিত হয়। এ সংঘর্যের কারণ আমরা বলিতেছি । পূৰ্ব্বোক্ত লালদীঘি তখন এত বড় ছিল না । ইহা একট মাঝারি ধরণের গুষ্করিণী। এই পুষ্করিণীটি মজুমদারদের কাছারি বাড়ীর সীমার মধ্যেই ছিল। কামরায় কালীঘাটে স্থানান্তরিত হইলেও, দোলের সময় এখানে আসিতেন। আমরায়ের দোলক্ষেত্র, এই কাছারী বাড়ার সীমার মধ্যে বহুদিনের প্রচলিত প্রধানতঃ দোলটা পূর্ববংই চলিয়া আসিতেছিল। বিবাদের কারণ এই ইঃ ইণ্ডিয়া কোম্পানীর কতকগুলি ফ্যাক্টার, দোলবাটীর মধ্যে উৎসব দেখিবার ইষ্ট প্রবেশের চেষ্টা করে। চৌধুরীদের আমমোক্তার এন্টনি সাহেব, তাহদের প্রবেশ করিতে দেন নাই। চর্ণকের নিকট এ সংবাদ পৌছিবামাত্র, o -----------------....سس.........سسسسه سمسس.....-.--.......---------------T

  • Letter Dated Fort ST, George 25 th May 1691.