পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৪৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


W。b" কলিকাতা সেকালের ও একালের । -sa বাসী, সাহ সুফী ফকিরের ভবিষ্যৎবাণী সফল হইল। বাঙ্গলাদেশ, মোগল সম্রাজ্যের মুকট মণি। ফরকশিয়ারের এই সাফল্যের প্রধান ভরসা, এই বাঙ্গালার রাজস্ব। বহুদিন বঙ্গদেশে বাস করিয়া, রত্নপ্রস্থ বাঙ্গালার কুবের ভাণ্ডারের দৃষ্ঠা যে তাহার চক্ষে পতিত হয় নাই, এমন নহে। এক সময়ে স্বর্থরক্ষার জন্ত, মুরশীদকুলী খণর সহিত র্তাহাকে বিবাদ করিতে হইয়াছিল। কিন্তু মুরশীদকুলী খা, কিরূপ, মুচতুর । কাৰ্য্যদক্ষ কৰ্ম্মচারী, বাঙ্গালায় রাজস্ব-বিভাগের তিনি কি অসম্ভব উন্নতিসাধন করিয়া ছিলেন, তাহাও তিনি বহুদিন ধপিতৃ স্বচক্ষে দেখিয়া আসিয়াছিলেন। কাজেই সিংহাসনে অধিরোহণের পর, তিনি মূরশীদকুলী থাকেই বাঙ্গালার দেওয়ান পদে বাহাল করিলেন । মুরশীদকুলী খর্ণ ও বাদসাৰ্ছী সনন্য পাইয়া প্রথামত (পেস্কস) উপহার প্রেরণ করিলেন। বাদসাহ ও সরকার হইতে তাঙ্গ " পদোপযুক্ত শিরোপা ও পরোয়ান পাঠাইয়। দিলেন। - - বাদসাই-ফণশৰ্মান ও নিশানের বলে, ইংরাজের এপর্য্যন্ত তিন সহস্র ট;" বাণিজ্য শুন্ধরূপে সরকারে দিয়া আসিতেছিলেন । ইহাতে আঁচ চি ইউরোপীয়-বণিকদের যথেষ্ট ক্ষতি হক্ট ত । দেশীয় বণিকেরা ও ইহাতে ক্ষতিগ্রস্ত হইতেন। মুরশীদকুলী খাঁ, ইংরজিদের উপর ততটা সদয় ছিলেন না। কাজেই তিনি বাণিজ্য-সম্বন্ধে সাম্যনীতি অবলম্বন সঙ্কল্প করিলেন। অন্যান্ত বণিকগণের নিকট যেরূপ বৰ্দ্ধিত হারে বাণিজ্যকর আদায় করা স্থির হইল, নবাব ইংরাজ-বণিকদেরও তদন্তয়ার শুষ্ক দিতে বাধ্য করিলেন । পুরাতন বাদসাহী নিশান ও ছাড়-সমূহের স্বত্বমত, ইংরাজগণ এপর্য্যন্ত সরকারী প্রাপ্য একটা নির্দিষ্ট হারে দিয়া আসিতেছিলেন । তাহা রদ করিয়া দিয়া তিনি অন্যান্য ইউরোপীয়-বণিকদের মত ইংরাজপক্ষের উপর অতিরিক্ত দাবী করিলেন। ইংরাজ-বণিকগণ দেখিলেন, দুইটা উপায়ের সহায়তায়, তাহারা এই উপস্থিত বিপদের প্রতিকার করিতে পারেন। -মুরশীদকুলী যে ভাবে দাবী দাওয়া করিতেছেন, তাঙ্গ দিতে পরিলে ত কোন কথাই নাই। কিন্তু সেইভাবে শুল্ক দিয়া, এ বঙ্গদেশে বাণিজ্য করিতে গেলে, তাহারা অঙ্গাই বণিকদের সহিত প্রতিযোগিতা-ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতিগ্ৰস্ত হইবেন। দ্বিতীয় উপায়—নুতন , বাদসাহ ফরস্কৃশিয়ারের দরবারে দিল্লীতে দূত প্রেরণ পরিশেষে ইংরাজ কর্তৃপক্ষগণ পরামর্শ করিয়া স্থির সিদ্ধান্তে উপস্থিত হইগেন “দিল্লীতে সম্রাট দরবারে দূত প্রেরণ করাই উচিত।” '